বাংলার ভোর প্রতিবেদক

পান্তা খেয়ে ঢাকায় যাই; রাতে বাড়ি ফিরতে চাই এই স্লোগানে দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি।

সোমবার দুপুর ১টায় যশোর রেলস্টেশনের নম্বর প্ল্যাটফর্মে কর্মসূচি পালন করা হয়।

সময় যশোর থেকে প্রভাতি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর দাবি করেন বক্তারা।

এছাড়া আরো দফা দাবি জানানো হয়।

বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কমিটির আহবায়ক কাওছার আলী।

তিনি বলেন, যশোর থেকে ভোরে ঢাকায় যাতায়তের জন্য আন্তঃনগর ট্রেন চালু হলে যশোরবাসী সকালে রাজধানীতে গিয়ে আবার রাতেই যশোর ফিরতে পারবেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করেও যৌক্তিক কোন দাবি পূরণ হয়নি। তাই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ রেলস্টেশনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন না হলে, সামনে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে আন্দোলনকারীরা রেলের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে বেনাপোল/দর্শনাযশোরঢাকা রুটে অবিলম্বে একটিপ্রভাতী আন্তঃনগর ট্রেনসহ মোট ৩টি নতুন ট্রেন চালু করা। সাধারণ নিম্নআয়ের যাত্রীদের সুবিধার্থে সব আন্তঃনগর ট্রেনে পর্যাপ্ত সাধারণ বগি (কোচ) যুক্ত করা। রেলের সক্ষমতা বাড়াতে দর্শনাখুলনা এবং বেনাপোলযশোর রুটে দ্রুত ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা। সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর হয়ে ঢাকাগামী নিয়মিত কমিউটার ট্রেন চালু করা। সিঙ্গিয়া রেল স্টেশনে অবিলম্বেইনল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনাল (আইসিটি) চালু করাসহ গণপরিবহনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে রেল ব্যবস্থার উন্নয়নে কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ গ্রহণের দাবি তুলে ধরেন।

সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ২০২৩ সাল থেকে তারা স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধন বিক্ষোভের মতো শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসছেন। বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ তা বাস্তবায়ন করেনি। আজকের এই অবস্থান কর্মসূচির পরও যদি অবিলম্বে দাবি পূরণ করা না হয়, তবে আগামীতে রেল অবরোধসহ আরও কঠোর লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জিল্লুর রহমান ভিটু, হাসিনুর রহমান, অ্যাড. আমিনুর রহমান হিরু, সায়দা বানু শিল্পী প্রমুখ।

অবস্থান কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সামাজিক, সাংস্কৃতিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।

Share.
Exit mobile version