বাংলার ভোর প্রতিবেদক

দেয়ালিকাকে সাহিত্যের আয়না বলা হয়। যে অঞ্চলে দেয়ালিকার প্রকাশনা বেশি, সে অঞ্চলে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চা বেশি হয়।

স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা দেয়ালিকার সাহিত্য চর্চা করে তার জন্য আমাদের এখনই সজাগ হতে হবে। নতুবা আগামী প্রজন্ম শিল্প সাহিত্য সংস্কৃত থেকে দূর চলে যাবে।

২১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে যশোর ইন্সটিটিউটে বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ (বিএসপি) প্রকাশিত ‘স্বরবর্ণ’ প্রদশনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

কবি অরুণ বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন, যশোর ইন্সটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. মুস্তাফিজুর রহমান, কবি ও গীতিকার কাসেদুজ্জামান সেলিম, কবি ড. শাহনাজ পারভীন, চিত্রশিল্পী কৃষি গৌতম।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন স্বরবর্ণ সম্পাদক ও বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না।

বেশি বেশি করে দেয়ালিকা প্রকাশের আহবান জানিয়ে আরো বক্তব্য রাখেন বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি আহমদ রাজু, কবি মঞ্জুয়ার সোনালী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, এডিএম রতন, ভদ্রাবতী বিশ্বাস, আহমেদ মাহবুব ফারুক, রেবেকা টপি, বকুল হক, এমএ কাসেম অমিয়, সঞ্জয় নন্দী, শাহরিয়ার সোহেল, শহিদুজ্জামান মিলন, সানজিদা ফেরদৌস, শরীফ হোসেন ধীমান প্রমুখ।

এর আগে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে যশোরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। পরে বিএসপির নিজস্ব কার্যালয়ে একুশের কবিতা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আহমদ রাজু।

Share.
Exit mobile version