বাংলার ভোর প্রতিবেদক
বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ধান সংগ্রহে মাপে কমবেশি করে অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন কোনো সুবিধা নিতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে।
অতীতে কৃষকদের কাছ থেকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অতিরিক্ত ধান নেয়া এবং পরে সরবরাহের সময় কম দেয়ার অভিযোগ ছিল। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর দেখতে চাই না।
শুক্রবার বেলা ১১ টায় যশোর সরকারি খাদ্য গুদামে জেলা প্রশাসন ও জেলা খাদ্য বিভাগের আয়োজনে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রর্মের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সাহসী সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ সফলভাবে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে। আমরা বলেছিলাম প্রয়োজনে গাড়ির জ্বালানী তেলের সরবরাহ বন্ধ রাখবো, সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম প্রয়োজনে শহরের মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে কিন্ত কৃষকের ধান ক্ষেতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবো। এর ফলে এই অঞ্চলে বোরো ধানের ফলন ভালো হয়েছে।
তিনি বলেন, আজকে  কৃষি ক্ষেত্রে যে অগ্রযাত্রা তার সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি খাল খনন কর্মসূচি থেকে শুরু করে বিদেশ থেকে উন্নত মানের সার বীজ, যন্ত্রপাতিসহ সকল প্রকার কৃষি উপকরণ এনে দেশের কৃষিতে সবুজ বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। দেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ং সম্পূর্ণ হয়। দেশের কৃষি খাতের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিতার সকল কর্মসূচি নতুন ভাবে শুরু করেছেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এবার সরকার প্রতি কেজি ধানের মূল্য ৩৬ টাকা নির্ধারণ করেছে। অতীতে কোনো সরকার কৃষকদের ধানের এমন মূল্য দেয়নি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক প্রমুখ।
জেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ১৬৬ মেট্রিক টন।
উদ্বোধন শেষে খাদ্য গুদাম চত্বরে গাছের চারা রোপন করেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে যশোর জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্য মাত্রা ১৫ হাজার ১৬৬ মেট্রিক টন।
Share.
Exit mobile version