পাইকগাছা সংবাদদাতা
ভবিষ্যত প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হবে। এ জন্য সুন্দরবনের দূষণ রোধে পলিথিন, প্লাস্টিক ও অন্যান্য ক্ষতিকারক পদার্থ বর্জন করতে হবে। কেননা সুন্দরবন মায়ের মতো উপকূলীয় এলাকায় মানুষকে আগলে রেখেছে।

পাইকগাছায় রুপান্তর কর্তৃক শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় ইউথ ফর সুন্দরবন ফোরামের ত্রৈমাসিক আলোচনা সভায় বক্তারা এ মন্তব্য করেন।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টায় অফিসার্স ক্লাবে আয়োজিত সভায় বক্তারা আরো বলেন, সুন্দরবন সুরক্ষায় রূপান্তর উপকূলীয় এলাকায় পাইলট প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জনে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধিতে উঠোন বৈঠক, হাট ও বাজার কমিটির সাথে সভা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচার প্রচারণা, বনজীবী, কর্মজীবীদের সাথে মতবিনিময়সহ উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দিবস পালন ও নানা শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে কাজ করছেন। এছাড়া প্রতিবছর সুন্দরবন দিবসও পালন করে থাকেন।

লক্ষ্মীখোলা কলেজিয়েট স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মানিক চন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে ও ইউথ-ফর সুন্দরবন ফোরামের উপজেলা সভাপতি রাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় প্রকল্পের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তুলে ধরেন রূপান্তরের জেলা কো-অর্ডিনেটর সাকি রেজওয়ানা।

এ সময় অতিথি ছিলেন, প্রধান শিক্ষিকা রহিমা আক্তার সম্পা, অঞ্জলি রানী শীল, সিনিয়র সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান, স্নেহেন্দু বিকাশ, এসএম শফিকুল ইসলাম, আ.আজিজ, কলেজ শিক্ষক হাফিজুর রহমান, ইউথ ফর সুন্দরবন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণা রানী চক্রবর্তী, আশরাফুজ্জামান, কমিটি সংশ্লিষ্ট নিলুফার সুলতানা, শ্যামল বালা, নাজমুর নাহার ইতি, সাবিনা সুলতানা, শিরিনা আক্তার, আ. সামাদ, অনিতা সরকারসহ সুফলভোগীরা।

Share.
Exit mobile version