আশাশুনি সংবাদদাতা
আশাশুনি সদরে খাল দখলের অপপ্রচারে দলীয় ভাবমূর্তি নষ্টের প্রতিবাদে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক নূরে আলম সরোয়ার লিটন সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সোমবার দুপুর ২ টায় আশাশুনি প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় তিনি লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে জানান, আশাশুনি সদরের হাড়িয়ানদী জলমহাল, সলুয়ানদী জলমহাল ও হাঁসখালী খাল ইজারা প্রদান করা হয়। আমাদের জানামতে ১৪৩১ সনের বকেয়া ৩৬ হাজার ২৫০ টাকা পরিশোধ না করেও নাটানা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নামে ১৪৩২, ১৪৩৩, ১৪৩৪ সনের জন্য অবৈধ ভাবে ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে ইজারা প্রদান করা হয়। ইজারা গ্রহিতারা সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ৭০টির মত খন্ডে বিভক্ত করে সাবলিজ দিয়ে নেটপাটা দিয়ে আটকে পয়ঃনিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতা ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে।

এতে করে এলাকার ২/৩ হাজার বিঘা জমি, গ্রামের ঘরবাড়ি ও ফসল জলমগ্ন হয়ে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা হুমকিগ্রস্ত। এ অবস্থায় ইজারা বাতিল ও জলাবদ্ধতা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে ২ মাস আগে এলাকাবাসী উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করেন।

পরে গত ১৬ এপ্রিল স্থানীয় ভুক্তভোগী জনসাধারণ ক্ষিপ্ত হয়ে হাড়িয়ানদী জলমহাল, সলুয়ানদী জলমহাল ও হাঁসখালী খাল উন্মুক্ত করে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন করে।

যে কাজের সাথে আমাদের বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে বিএনপি থেকে বহিস্কৃত কতিপয় ব্যক্তি দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, উপজেলা শ্রমিক দল সভাপতি নূরুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুল্লাহ হাবিল, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আ. কাদের ও মৎস্যজীবী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোখলেছুর রহমানকে জড়িয়ে অপপ্রচার করছে।

সেই সাথে জলাবদ্ধতার শিকার স্থানীয় জনসাধারণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তারা যেমন সমাজ বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এসময় বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ও কথা বলেন।

Share.
Exit mobile version