চুড়ামনকাটি সংবাদদাতা

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন ছিলো দেশের মানুষ যেনো পুষ্টিকর খাবার খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে। সেই জন্য তিনি কৃষিখাতের উন্নয়নে একাধিক আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করেন। কৃষিতে আজকের এই উন্নয়নের অবদান জিয়াউর রহমানের।

বিএনপি সরকার যতবার সরকার গঠন করেছে ততবারই দেশের কৃষিখাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছে। দেশের কৃষকদের কষ্ট লাঘব করতে শহীদ প্রেসিডেন্ট স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান খাল খনন শুরু করেন। তিনি জানতেন খাল খননের মাধ্যম কৃষকের সেচ খরচ অনেকটাই কমবে। দেশে খাদ্য গুদামসহ কৃষি লোনের পাশাপাশি কৃষির সকল উন্নয়ন করে গেছেন তিনি।

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার খাল খনন বন্ধ করে দিলেও তারেক রহমান নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর আবারও গুরুত্ব দিয়ে খাল খননের কাজ শুরু করেন।

সরকার ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে তাদের কথা রেখেছেন।

সমাবেশে তিনি আরো বলেন, খুনি হাসিনার সরকার এমন কোন অন্যায় অত্যাচার ছিলোনা যে জিয়া পরিবারের সাথে করেননি। দেশের জিয়ার সৈনিকদের উপর চালানো হয়েছে জাহিলিয়া যুগের সব অত্যাচার। এই চুড়ামনকাটিতে ইফতার মাহফিল পর্যন্ত বিগত দিনে করতে দেয়া হয়নি।

আগামীতে দলকে আরো বেশি সুঃসংগঠিত করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

শুক্রবার যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল হাসান বিপ্লবের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলা কৃষকদলের আহবায়ক উপাধ্যক্ষ মকবুল হোসেন।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, জেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুল ইসলাম কচি, সদর উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মহাসিন আলী, সদর উপজেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শেলিনা পারভীন শেলী, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইদ, সহ সভাপতি আবু তালেব, রফিকুল ইসলাম, ওলিয়ার রহমান, মামুন মহাসিন, ইউনিয়ন মহিলা দলের আহবায়ক জেবুন নেছা জেবু, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, বিএনপি নেতা মাস্টার শিমুল হোসেন, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান তপন, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মিজানুর রহমান।

Share.
Exit mobile version