কেশবপুর সংবাদদাতা
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলীর বাসভবনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার দুপুরে এ ঘটনার প্রতিবাদে পৌর জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কেশবপুরে দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট সাইদুর রহমান সাইদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, রোববার রাত আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটের দিকে ১১ দলীয় ঐক্যজোট সমর্থিত জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলীর পৌর শহরের সাবদিয়া এলাকার বাসভবনে সন্ত্রাসী গ্রুপ কর্তৃক হাত বোমা/ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। নির্বাচনী পরিবেশকে আতঙ্কিত করা, সাধারণ ভোটারদের ভয় দেখানো এবং একজন জনপ্রিয় প্রার্থীকে দমিয়ে রাখার জন্য এই ধরনের সন্ত্রাসী কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এই সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে। ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। কেশবপুরে নির্বাচনী সময়কালে ভোটার, প্রার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দৃশ্যমান কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের সকল অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করতে হবে।
এ সময় তারা এই পরিকল্পিত ও সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানান। ঘটনা উল্লেখ করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে বলেও সাইদুর রহমান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, যশোর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাওলানা রিজাউল ইসলাম, সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি তবিবুর রহমান, পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান, পৌর জামায়াতের আমির প্রভাষক জাকির হোসেন প্রমুখ।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলী বলেন, ‘কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে সেটা আমার জানা নেই। তবে আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি’।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুকদেব রায় বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে’।
