জীবননগর সংবাদদাতা

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামের একটি বোরিং মাঠ থেকে বুলবুল হোসেন (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় তার স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্ত করছে জীবননগর থানা পুলিশ।

জানা গেছে, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাকনহাট এলাকার সেরাপাড়া সুন্দরপুর গ্রামের বাসিন্দা  বুলবুল হোসেনের সঙ্গে প্রায় তিন থেকে চার মাস আগে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্রে জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের শারমিন (২০) নামে এক নারীর বিয়ে হয়। বুলবুল পেশায় একজন গার্মেন্টস কর্মী। বিয়ের পর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের সময় শারমিন তার পূর্বের বিয়ে এবং তিন থেকে চার বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান থাকার বিষয়টি বুলবুলের কাছে গোপন রাখেন। পরে বিষয়টি জানতে পারলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়।

পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে হরিহরনগর বোরিং মাঠে বুলবুলকে মাথায় রক্তাক্ত জখম ও অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আহত ব্যক্তি অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার জ্ঞান ফিরতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বুলবুলকে ঘুমের ওষুধজাতীয় কিছু খাইয়ে অচেতন করার পর তার স্ত্রী শারমিন আক্তার, শ্বশুর দেলোয়ার হোসেন ও শাশুড়ি রেকসনা খাতুনসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে মারধর করে গভীর রাতে হরিহরনগর মাঠে ফেলে রেখে যায়।

এ বিষয়ে শারমিন বা তার পরিবারের কারো বক্তব্য নেয়ার জন্য যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

জীবননগর থানা অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share.
Exit mobile version