বাংলার ভোর প্রতিবেদক
দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী বাস ডুবে যাওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। নিহতদের মধ্যে ১১ জন নারী, ৭ জন পুরুষ ও ৫ জন শিশু রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির তথ্যমতে, প্রায় ৪০ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি প্রায় ৬০ ফুট গভীর পানিতে ডুবে যায়। দীর্ঘ সময়ের উদ্ধার তৎপরতার পর মধ্যরাতে ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট, ১০ জন ডুবুরি, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসন সম্মিলিতভাবে কাজ করছে।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, অধিকাংশ মরদেহের পরিচয় ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে এবং সেগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর ঘাট এলাকায় স্বজনদের আহাজারিতে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১২টার পর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ডুবে যাওয়া বাসটি নদী থেকে টেনে তোলে।
এই দুর্ঘটনা আবারও নৌপথের নিরাপত্তা ও ঘাট ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
