বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরের ঝুমঝুমপুর গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. সেলিম কোতয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঝুমঝুমপুর গ্রামের মৃত আলী আহম্মদের ছেলে মো. সেলিম ১২নং ফতেপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ১০নং ঝুমঝুমপুর মৌজার ২১৫ দাগের ৬০ শতক জমি পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। ওই জমিতে তিনটি পাকা ঘর ও একটি টিনশেড স্থাপনা রয়েছে।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১১ মে ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে একই গ্রামের আনোয়ারা খাতুন, মাহবুব হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জন তার জমিতে প্রবেশ করে গাছপালা কেটে ফেলে এবং জমির প্রবেশ গেটের তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে দেয়। পরদিন ১২ মে সকাল ৯টার দিকে অভিযুক্তরা পুনরায় জমিতে গিয়ে জোরপূর্বক গাছ কাটতে শুরু করে।
ভুক্তভোগী সেলিম অভিযোগ করেন, তিনি বাধা দিতে গেলে বিবাদীরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারধরের উদ্দেশ্যে তেড়ে আসে। একপর্যায়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জমি থেকে বের করে দেয়ার ভয়ভীতি দেখানো হয়। এ ঘটনায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বিবাদীরা যেকোনো সময় তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে খুন-জখমসহ জমি জবরদখলের চেষ্টা করতে পারে। এমনকি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানিরও আশঙ্কা করছেন তিনি। জমি নিয়ে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছেন অভিযোগে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আবুল খায়ের, আব্দুল জলিল ও সুমন হোসেনসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মো. সেলিম সরেজমিন তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
