বাংলার ভোর প্রতিবেদক

যশোর শহরের আরবপুর এলাকার ২৩.৮৬ শতক বিক্রিত জমি নিয়ে অপপ্রচার ও হয়রানির প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বেনাপোলের দুই ব্যবসায়ী। গত ৬ জুন প্রতিপক্ষ সায়াদ হোসেনের করা সংবাদ সম্মেলনের জবাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ক্রেতাপক্ষের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সিয়ামুজ্জামান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মূল মালিক মরহুম আব্দুস সালাম সরদার (হবি সরদার) ২০২৪ সালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে চিকিৎস খরচ মেটাতে তিনি তার একমাত্র কন্যা ও জামাতার উপস্থিতিতে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ক্রেতাপক্ষের কাছে ২৩.৮৬ শতক জমি বিক্রি করেন। টাকা উত্তোলনের সময় মরহুমের স্ত্রী ও এক ছেলেও সাক্ষী ছিলেন। জমি বিক্রির পর তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ক্রেতারা জমিটি নিয়ম মেনে নামজারি (মিউটেশন) ও খাজনা পরিশোধ করে বাউন্ডারি দিয়ে ভোগদখল করছিলেন এবং এর একটি অংশ লেদ কারখানার জন্য ভাড়া দেন। সায়েদ হোসেন তার লোকজন নিয়ে ওই জমি দখলের চেষ্টা চালায় এবং বাউন্ডারি ও কারখানার ক্ষতিসাধন করে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষের সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে ক্রয়কৃত জমিতে অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ এবং অপপ্রচার রোধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

সায়াদ হোসেন সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, পিতার মৃত্যুর পর আসাদুজ্জামান, বাবলু তালুকদার, আনিসুর রহমান, ইয়াসিন ও একেএম আতিকুজ্জামান ছানিসহ একটি চক্র বিভিন্ন সময়ে আমাদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালায়।

এ ঘটনায় আমরা আদালতে দেওয়ানি মামলা করলে আদালত সংশ্লিষ্ট জমির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরবর্তীতে আপিল আদালতেও আমাদের পক্ষে রায় আসে।

প্রতিপক্ষ একটি সন্দেহজনক দলিল দেখিয়ে সম্পত্তির মালিকানা দাবি করছে। ওই দলিল বাতিলের দাবিতে যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে পৃথক দুটি দেওয়ানি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বাবলু তালুকদার দীর্ঘদিন ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকার পর ভাড়া প্রদান বন্ধ করে সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে।

উপস্থিত ছিলেন, আতিকুজ্জামান, আসাদুজ্জামান, হাসানুজ্জামান, আজমুল ইসলাম, আনিসুর রহমান, মোখলেসুর রহমান প্রমুখ।

Share.
Exit mobile version