বাংলার ভোর প্রতিবেদক
রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, যশোর জেলাকে আমরা সুন্দরভাবে সাজাতে কাজ করছি।
যশোর ইনস্টিটিউটকে আন্তর্জাতিকমানের গবেষণাগার করার জন্য চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে ৫০ লাখ টাকা সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় থেকে পেয়েছি। সব মিলিয়ে কয়েক কোটি টাকা পাবো। স্থগিত মধুমেলার বিষয়েও দ্রুত সিদ্ধান্ত আসবে।
তিনি বলেন, যশোরে খাদ্য বিভাগ জিআর, টিআর, কাবিখার চাল নিয়ে কোন অনিয়ম যেন না হয়। সেই সাথে বোরো মৌসুমে চাল কেনায় যেন অনিয়ম না হয় সেটা দেখা হবে। শতভাগ অনিয়মমুক্ত খাদ্যবিভাগ হতে হবে।
ঝিকরগাছার ফুল বিশ্ব বাজারে নিতে চাই। বিডার সদস্য আসবে ফুল মেলায়। আমরা যশোরের চেহারা বদলে দিতে চাই। পুরানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চাই। সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজিবুল আলম বলেন, বিভিন্ন দপ্তর থেকে একটা সংঘবদ্ধ চোর চুরি করছে।
এরা ছিচকে চোর, মাদকাসক্ত। ঈদ সামনে রেখে জাল টাকার ছড়াছড়ি বাড়ে। নগদ টাকা উত্তোলন বহন ও জাল টাকার বিষয়ে সচেতন হতে হবে। জেলায় ত্রিশটি পশুর হাটের মধ্যে ২২ টি স্থায়ী ৮ টি অস্থায়ী। পশু কেনাবেচায় প্রশাসনের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরাও কাজ করতে হবে। ইদানিং অনলাইনে বিভিন্ন ব্রান্ডের অফারের নামে প্রতরণা করা হচ্ছে। শহরে লাইট সমম্যা সমাধান করা জরুরি। মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা কাজ করছি।
পৌর প্রশাসক রফিকুল ইসলাম বলেন, কালবোশেখির সময় লাইট নষ্ট হচ্ছে বেশি। মশা নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পনা রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর পৌরসভা এলাকার ড্রেন থেকে ময়লা উঠছে দ্বিগুণের বেশি। যানজট নিরসনে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর পর আবার যা তাই হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে হাসপাতাল গেট এলাকার চিত্র ভয়াবহ। সভায় সিভিল সার্জন বলেন, বর্তমানে হামের প্রভাব রয়েছে। আমরা শতভাগ টিকা দান করতে সক্ষম হয়েছি। যে সব ক্লিনিকের কাগজপত্র রিনিউ করা নাই সেগুলো আমরা বন্ধ করে দিচ্ছি।
সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক হুসাইন সাফায়াতে বলেন, হাসপাতাল এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। র্যাভিস ভ্যাকসিন বাড়ানো দরকার। দালাল নিয়ন্ত্রণে অভিযান চলমান রয়েছে।
সভায় কৃষি সম্প্রসারণের উপপরিচালক মোশারফ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কমলেশ মজুমদার, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
