বাংলার ভোর প্রতিবেদক
রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের স্বার্থে হ্যা ভোটের পক্ষে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজ কল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। আজ সোমবার দুপুরে যশোর কালেক্টরেট চত্বরে গণভোটের জনসচেতনতামূলক মক ভোটিংয়ের উদ্বোধনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা নিরপেক্ষ মানুষ নই, আমি তো গণভোটের পক্ষের মানুষ। গণভোট মানে নতুন বাংলাদেশ, গণভোট মানে নতুন ব্যবস্থা। গণভোট মানে সকল রাজনৈতিক দলকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনা। এটার পক্ষে কেউ নিরপেক্ষ থাকা যায় না।
গণভোটে রাজনীতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে এই উপদেষ্টা বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো তাদের মতো করেই প্রচারণা করবে। তবে এটা রাজনৈতিক বিষয় না। আমরা তো আশা করবো রাজনৈতিক দলগুলোও হ্যা ভোটের পক্ষে, কারণ এটাতেও তাদের স্বার্থ জড়িত রয়েছে।
সকলে মিলে গণভোটের পক্ষে কাজ করবো। তারা যদি গণঅভ্যুত্থানকে সম্মান করে, স্বীকৃতি দেয়, ছেলেমেয়েদের ত্যাগকে শ্রদ্ধা করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে ধারণ করে; তাহলে তারাও গণভোটের পক্ষে থাকবে।’
এর আগে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে গণভোটের মক ভোটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা।
এরপর গণভোটের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা পালন করে গণভোটের মক ভোটিংয়ে ভোট প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গির আলমসহ জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
এদিকে সকালে জেলা প্রশাসকের মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও জেলার আইন শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সাথে মতবিনিময়কালে উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করছি।
বাংলাদেশের ইতিহাসে একই সাথে গণভোট ও সংসদ নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধিদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুষ্ঠ পরিবেশ তৈরির উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সাথে সাথে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে প্রচারণা চালানোর বিষয়ে তাগিদ দেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদি কাঠামো দূর করতে, দেশ সামনের দিকে এগিয়ে নিতে গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত করতে হবে।
জাতি হিসেবে আমাদের দুর্নীতি পরায়ণ মানসিকতারও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।
