বাংলার ভোর প্রতিবেদক
বুধবার রাতভর বৃষ্টিতে যশোরের বিভিন্ন এলাকার কৃষকের কেটে রাখা ধান ভিজে গেছে। মৌসুমের শেষ সময়ে এমন বৃষ্টিতে বিপাকে পড়েছেন তারা। যশোর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ঘাঁটির আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে বুধবার রাতে ২২ মিলিমিটিার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
সকালে শহরতলীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টির কারণে জমিতে পানি না জমলেও কৃষকের কাটা ধান ভিজে গেছে। এতে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
তবে সকাল হতেই সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে মাঠে নেমে পড়েন কৃষক। অনেকে ভেজা ধান জমি থেকে তুলে এনে রোদে শুকানোর চেষ্টা করছেন। আবার কেউ কেউ দ্রুত শুকানোর জন্য উল্টেপাল্টে দিচ্ছেন।
কৃষকেরা জানান, ধান কাটার এই সময়ে বৃষ্টি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি তৈরি করে। বৃষ্টিতে ধান ভিজে গেলে তা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ঠিকমতো শুকাতে না পারলে ধানের মান নষ্ট হয় এবং ফলনেও প্রভাব পড়ে।
শহরতলীর ফতেপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর মাঠের কৃষক শিমুল আজাদ বলেন, তিনি দেড় বিঘা জমিতে ধানের চাষ করেছিলেন এবং ফলনও ভালো হয়েছে। কিন্তু মৌসুমের শেষে বৃষ্টিতে এখন শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।
বৃষ্টিতে শুধু ধানই নয়, বিচালিও পাওয়া যায় না। এতে ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যায়।
এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু ইসহাক জানান, মৌসুমে স্বাভাবিক বৃষ্টিতে আপাতত বড় ক্ষতির আশঙ্কা থেকে মুক্ত রয়েছে কৃষক। কারণ বৃষ্টির পর রোদ ওঠায় কৃষকেরা ধান শুকানোর সুযোগ পাচ্ছেন। তবে নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।
এদিকে রোদ উঠলেও পুরোপুরি ক্ষতি এড়ানো যাবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা কাটেনি কৃষকদের মধ্যে।
