বাংলার ভোর প্রতিবেদক
পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সম্মুখসারিতে আনতে ও কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আদর্শ ও সুনাগরিক এবং মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন পূরণের সহায়তায় এগিয়ে চলা স্বপ্নচারী সমাজকল্যাণ সংস্থার আয়োজনে শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে মেধাবৃত্তি-২০২৫ পরীক্ষা।
ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এবং নার্সারি থেকে দশম শ্রেণীর হাজারেরও অধিক জন ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণে এই বৃত্তি পরীক্ষা কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা গ্রহণের স্পৃহাকে আরও বেগবান করে তুলেছে। যশোর শহর ও শহরতলীর প্রায় ৪০ টি স্কুলের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে যশোর নতুন উপশহরের সেক্টর নং-৭, রোড নং-৩ এ অবস্থিত স্বপ্নচারী আইডিয়াল স্কুল অ্যাণ্ড কলেজ প্রাঙ্গন।
উৎসবমুখর পরিবেশে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত এই বৃত্তি পরীক্ষাটি রূপ নিয়েছিলো যশোর শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের মিলনমেলায়। যশোর জিলা স্কুল, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পুলিশ লাইন স্কুল, যশোর শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যাণ্ড কলেজ, কালেক্টরেট স্কুলসহ প্রায় ২৫ টি স্কুলের পরীক্ষার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নেয়।
পরীক্ষার তত্বাবধানে ছিলেন স্বপ্নচারী আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইমরান হোসেন। পরীক্ষায় পরিদর্শক ছিলেন সরকারি মাইকেল মধুসূদন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহজাহান কবির এবং সরকারি মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোফাজ্জেল হোসেন।
স্বপ্নচারী সমাজকল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা কামরুল ইসলাম (রনি) বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে অনুপ্রাণিত করতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রায়াস। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আদর্শ ও সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরকে এককালীন নগদ অর্থ, ক্রেস্ট এবং সম্মাননা সনদ প্রদান করা হবে।
স্বপ্নচারী সমাজকল্যাণ সংস্থার পরিচালক ও স্বপ্নচারী আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইমরান হোসেন বলেন, স্বপ্নচারী বিশ্বাস করে যে, দক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রত্যেক বাবা-মায়ের পাশাপাশি আমাদের প্রাণান্ত প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় উদ্বুদ্ধ হবে।
