রামপাল সংবাদদাতা
রামপালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাংবাদিক সুজন মজুমদারকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও নিরাপত্তা চেয়ে ১৫ মে রাতে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন ভুক্তভোগী।

সাধারণ ডায়েরিতে সুজন মজুমদার উল্লেখ করেছেন, তিনি প্রেসক্লাব রামপালের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক জনবাণী পত্রিকার রামপাল প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। ১৩ মে সন্ধ্যায় প্লাস নিউজ রামপাল নামে একটি ফেক আইডি থেকে আপত্তিকর পোস্ট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়।

ফেক আইডি দিয়ে বিকৃত ও মানহানিকর তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্তির চেষ্টা করা হয়েছে বলেও সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়। এই সব ফেক আইডি থেকে অনেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানিকর পোস্ট করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে রামপালের বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ফেক আইডি খুলে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। তারা সাংবাদিকদের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং পেশাগত কাজে বাঁধা সৃষ্টির লক্ষ্যে সম্মানহানিকর এমন অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।

একই সাথে তারা সাংবাদিক সুজন মজুমদার ছাড়াও প্রেসক্লাব রামপালের সাবেক সভাপতি এমএ সবুর রানা, আহবায়ক মোতাহার মল্লিক, সদস্য সচিব মেহেদি হাসান ও কবির আকবর পিন্টুকে ঘিরে ফেসবুকে মিথ্যা ও বানোয়াট পোস্ট করায় রামপালে কর্মরত সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিদাতারা হলেন, প্রেসক্লাব রামপালের আহবায়ক মোতাহার মল্লিক, সদস্য সচিব মেহেদী হাসান, এম, এ সবুর রানা, এএইচ নান্টু, রেজাউল ইসলাম, কবির আকবর পিন্টু, তারিকুল ইসলাম, মোল্লা হাফিজুর রহমান, লায়লা সুলতানা, মুর্শিদা পারভিন, অমিত পাল, তুহিন মোল্লা, আব্দুল্লাহ শেখ, মো. হারুন শেখ, মো. আল আমিন শেখ প্রমুখ। তারা এমন আইডিধারী সাইবার অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি ব্যাবস্থা ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন। এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ রাজিব আল রশিদ বলেন, অভিযোগের বিষয়ে গোয়েন্দা বিভাগের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share.
Exit mobile version