বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরের চৌগাছা পৌরসভার সাধারণ হাটের ইজারা পাওয়ায় ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান লেন্টুর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও খাজনা আদায়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই ইজারাদার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আতিকুর রহমান লেন্টু জানান, তিনি ১ কোটি ১৬ লাখ ১৪ হাজার ৭৫০ টাকায় চৌগাছা পৌরসভার সাধারণ হাট (কাঁচাবাজার, মাছ বাজার ও ফুটপাত) সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ইজারা পান। এরপর থেকেই স্থানীয় শুকুর আলী, সহকারী অধ্যাপক বিএম হাফিজুর রহমান, আব্দুর রহিম, মোঃ মাসুদ ও উজ্জল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৮ থেকে ১০ জন তার কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন।
ইজারাদার অভিযোগ করেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বিবাদীরা তাকে ও তার কর্মীদের বাজারে প্রবেশে বাধা দিচ্ছেন। গত ১৪ এপ্রিল বিবাদীরা জোরপূর্বক বাজারের বিভিন্ন দোকান থেকে প্রায় ১ লক্ষ টাকা তুলে নেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তারা লেন্টুকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বলেন, বাকি ৯ লক্ষ টাকা না দিলে হাটে কোনো খাজনা তুলতে দেওয়া হবে না।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ এপ্রিল সকালে খাজনা আদায়কারী আরিফুল ইসলাম আসিম মাছ বাজারে গেলে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে। তারা আসিমের কাছ থেকে রশিদ বই কেড়ে নেয় এবং তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বাজার থেকে বের করে দেয়।
সংবাদ সম্মেলন চলাকালে ইজারাদার লেন্টুর সমর্থনে উপস্থিত ছিলেন, চৌগাছা পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অসীম, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শফিউদ্দীন, আত্মীয় হাবিবুর রহমান ও সিরাজউদ্দীন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জানান, বিবাদীরা এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী ও উচ্ছৃঙ্খল প্রকৃতির লোক। বর্তমানে তিনি ও তার কর্মীরা জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই ঘটনায় তিনি চৌগাছা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।#
