মণিরামপুর সংবাদদাতা
মণিরামপুর উপজেলার নেংগুড়াহাটের বিভিন্ন অঞ্চলের হাট-বাজারে সয়লাব হয়ে গেছে ভেজাল সাতে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা এ ভেজাল সারের ব্যবসা করে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে গেলেও নিঃস্ব হচ্ছে কৃষকরা। সেই সাথে উপজেলার অনুমোদিত বৈধ সার ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা পড়ছেন চরম বিপাকে।
অভিযোগ উঠেছে আসল না নকল সেটা বোঝার ক্ষমতা না থাকায় অধিকাংশ কৃষক ভেজাল ও নিম্নমানের সার কিনে প্রতারিত হচ্ছে। এসব সার জমিতে দেয়ার পর কাজ হচ্ছে না।
অভিযোগ উঠেছে হাজরাকাটি বেলতলা বাজারের এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী নিজ কারখানায় তৈরি করছেন এসব ভেজাল সার। এছাড়া শায়লা বাজারের অপর সার ব্যবসায়ী দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধেও ভেজাল সার কারবারের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায় মনিরামপুর উপজেলার নেংগুড়াহাট এলাকায় রাজগঞ্জ কাঠালতলা, পারখাজুরা, বেলতলা, ঝাঁপাবাজার, ডুমুরখালী, খাটুরাবাজার, মদনপুর বাজার খেদাপাড়া বাজারসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় সার বিপণন নীতিমালা লঙ্ঘন করে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন ট্রাক, আলমসাধু, করিমন, ভ্যান ও মোটরসাইকেলে করে বিপুল পরিমাণ ভেজাল সার আনা হচ্ছে। অথচ সার বিপণন নীতিমালায় বলা আছে সারের সংকট দেখা না দিলে। এক উপজেলা সার অন্য উপজেলায় বিক্রি করা যাবে না। তারপরও রাতের আঁধারে বিভিন্ন এলাকা আসছে অবৈধভাবে সার। যার অধিকাংশ ভেজাল ও নিম্নমানের। এতে করে সাধারণ কৃষকরা আসল আর ভেজালের তফাত করতে না পেরে ভেজাল সার কিনে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে। এ অবস্থায় তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কঠোর নজরদারি কামনা করেছেন।
মণিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটি ইউনিয়নের কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মারুফুল হক ও হাবিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত খোজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তারা জানান।
শিরোনাম:
- যশোরে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল ও হামলা : দেশত্যাগের হুমকি
- যশোরে সরকারি জমি দখল ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
- যশোরের ফুলতলা বাজারে বিএনপি নেতাদের সহযোগিতায় জমি দখলের অভিযোগ
- শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যশোরের সিভিল সার্জন
- কালীগঞ্জ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামের বেহাল দশা
- জীবননগরে বিপুল পরিমাণ মাদক ফেয়ারডিলসহ দুইজন গ্রেপ্তার
- দক্ষিণঞ্চলের আমের রাজধানী খ্যাত বেলতলা বাজারে গুটি আম বেঁচাকেনা শুরু
- রোজা-ঈদ পরবর্তী ওজন কমানোর সহজ টিপস
