নিজস্ব প্রতিবেদক
মাগুরা সদর উপজেলার মঘী ইউনিয়নের শেখপাড়া গ্রামে আলীম মোল্লার বাড়িতে দিনে দুপুরে ডাকাতি কায়দায় ভাঙ্চুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার দুপুর ৩ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন শেখপাড়া গ্রামের আলীম মোল্লা ও তার স্ত্রী নার্গিস।
নার্গিস জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে মাগুরা আদালতের মামলাকে কেন্দ্র করে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে স্থানীয় আবজাল বিশ্বাস, সুরমান বিশ্বাস, আশরাফুল, দিপু, মমিন বিশ্বাস, মো. তামিম, একব্বর বিশ্বাস, রোহান, জেসমিন, জলি, কতরীসহ ১৮-২০ জনের সশস্ত্র একদল দুর্বৃত্ত তার বাড়িতে প্রবেশ করে শাশুড়ী মোমেনা ও শশুর মাজেদ মোল্লাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা প্রতিবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে শশুর-শাশুড়িকে মারধর করে এবং তাদের বসত ঘর ও ঘরে থাকা বিভিন্ন প্রকার মালামাল বাঙচুর ও স্বর্ণালংকারের কৌটা এবং নগদ ১ লাখ ৩ হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়।
এ বিষয়ে একব্বর বিশ্বাস জানান, এসব মিথ্যা ও বানোয়াট কথা। আলীম মোল্লারা নিজেরাই ঘর কুপিয়ে আমাদের দোষ দিচ্ছে। তার তৃতীয় শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে এখনই মাদক সেবন করাসহ স্থানীয় ডাকত চক্রের সদস্যদের সাথে কাটাখাল ব্রিজ এলাকায় অবস্থান করে। এ নিয়ে গত তিন মাস আগে সামান্য বিষয়ে ঝগড়ার রেশ ধরে গ্রাম্য শালিস হয়। পরবর্তীতে ওই ঘটনায় আদালতে মামলা হয়। রোববার দুপুরে মাগুরা শহরের ভায়না মোড়ে আশরাফুলকে সদরের পাল্লা গ্রামের জসিমসহ আরো কয়েকজন মারপিট করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নার্গিস, আলীম, সেলিম ও তাহাজ্জদ মিলে ঘরবাড়ি কুপিয়ে আমাদের দোষ দিচ্ছে।
গোলাম রসুলের স্ত্রী গোলাপি জানান, ১৫-২০ জন লোকজন এসে ঘরের জানালা ভেঙ্গে প্রবেশ এবং চারপাশে থেকে রামদা ও লাঠি নিয়ে ডাকাতি কায়দায় লুটপাট ও ভাঙচুর করেছে।
এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শিরোনাম:
- যশোর সার্কিট হাউজ থেকে পায়ে হেটে জনসভাস্থলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
- যশোর রোডে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলচাষিদের অভ্যর্থনা
- অশীতিপর শাহাদাতের কাছে নিজের পিতার নাম জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
- ইতিহাসের অংশ যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী
- দেশ গড়ার কাজে বাধা দেবেন না
- মাগুরায় মিলের ফিতায় জড়িয়ে শ্রমিকের মৃত্যু
- কপিলমুনিতে বড় ভাইকে ছোট ভাইয়ের ধাক্কা, অতঃপর
- আমাদের মূল লক্ষ্য দ্রুত মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেয়া : প্রধানমন্ত্রী
