কোটচাঁদপুর সংবাদদাতা :
বৃহস্পতিবার রাতে কোটচাঁদপুর-সাফদারপুর সড়কে পুলিশ বক্সের ২০ গজ দূরে গ্রামীণ ব্যাংকের দুই কর্মীকে গুরুত্বর আহত করে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করা হয়েছে।
আহতরা হলেন, জহিরুল ইসলাম ও আব্দুল মমিন তারা দুই জনই গ্রামীন ব্যাংকের কর্মী। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে চাকরিস্থল থেকে মটর সাইকেলযোগে কোটচাঁদপুরের বাসায় ফিরছিলেন।
পথিমধ্যে কোটচাঁদপুর-সাফদারপুর সড়ক ডাকাতের কবলে পড়েন। এ সময় ডাকাতরা তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল লুট করে নেয়। শুধু গ্রামীণ ব্যাংকের ওই দুই জন কর্মীকেই নয়, ডাকাতরা ওই রাতে আরো ৫/৬ টি ট্রাক থামিয়ে লুটে নিয়েছেন টাকা ও মোবাইল। এর আগে ৩০ মে রাতে এই সড়কের একই জায়গায় এক আলমসাধু ড্রাইভারকে গাছ বেঁধে রেখে আলমসাধু নিয়ে পালিয়ে যান ডাকাতরা।
মেহেরপুর মহাজনপুর গ্রামীণ ব্যাংক কর্মী ভুক্তভোগী জহিরুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার ব্যাংকের কাজ শেষ করতে একটু রাত হয়ে যায়। এরপর আমি ও আমার ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার আব্দুল মমিন মোটরসাইকেল যোগে বাড়িতে আসার পথে কোটচাঁদপুর সাবদারপুর সড়কের পুলিশ বক্সের অদুরে আসার পর সড়কে উপর গাছ দেখতে পাই।
এ সময় আমি মটর সাইকেল থেকে নেমে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে, তারা আমাকে ধরে সড়কের উপর ফেলে মারপিট করে। এবং টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। আমি বাধা দিলে তারা আমাকে কুপিয়ে সর্বস্ব নিয়ে যায়।
এরপর ডাকাতরা একটি ট্রাকের গতিরোধ করে ড্রাইভারকে মেরে টাকা মোবাইল কেড়ে নেন। তারপর ওই ডাকাতরা আমাদের ট্র্যাকে আটকে রেখে আরো কয়েকটি ট্র্যাক আটকে টাকা ও মোবাইল কেড়ে নিয়ে চলে যান।
এ সময় ডাকাতরা প্রায় লক্ষাধিখ টাকা ও কয়েকটি মোবাইল লুট করে। ঘটনার প্রায় ঘন্টা খানিক পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আমারদের উদ্ধার করেন।
এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর মডেল ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) আনসারুল্লাহ হক বলেন, আমি ছুটিতে বাড়িতে আছি। তবে ঘটনাটি আমি শুনেছি। কিন্তু মামলা হয়েছে কি আমি জানিনা।
