বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) যশোর।
ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. রবিউল ইসলাম তুহিনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগের এসোসিয়েট প্রফেসর ডা. শরিফুল আলম খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘পোলাইটনেস ইজ পাওয়ার’ যা আমাদের শিখিয়ে গেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার শেখানো পথেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম যেমন দেশের কথা চিন্তা করতেন, বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ কিভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে সেই ভাবনা নিয়ে কাজ করতেন; তেমনি বেগম জিয়া আমৃত্যু বাংলাদেশের জন্য কাজ করেছেন।
এ দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে সংগ্রাম করে গেছেন। দেশ ও জাতির প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপসহীন। আজ তিনি সকল কিছুর উর্ধ্বে। তাই তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করতে হবে। মহান আল্লাহ যেন তাকে কবুল করে নেন।
অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র বিএনপির ছিলেন না। তিনি ছিলেন এ দেশের গণমানুষের নেত্রী। তাঁর মৃত্যুতে দেশের যা ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আবু হাসনাত মো. আহসান হাবীব ও যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ড্যাব নেতা ডা. ফারুক এহতেশাম পরাগ, সার্জারী বিভাগের ডা. অহিদুজ্জামান আজাদ, নাক কান গলা বিভাগের ডা. এসএম নাজমুল হক, রিউমাটোলজি বিভাগের ডা. আলাউদ্দিন আল মামুন ও এনেস্থেসিয়া বিভাগের ডা. আহসান কবীর বাপ্পি।
এছাড়া হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, ইন্টার্ণ ডক্টরস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশের নার্সেস এসোসিয়েশনসহ হাসপাতালের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষ দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাসপাতালে নাক কান গলা বিভাগের ডা. তমিজ উদ্দিন।

