বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের বাসিন্দা সাইদ সরদার ওরফে ‘চশমা সাইদ’ (৪০) হত্যা মামলায় সাব্বির হোসেন সুমন ওরফে ‘মেছো সুমন’ এবং রঘুরামপুর গ্রামের রোহিতকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া মেছো সুমন ধর্মতলা এলাকার শহিদুজ্জামানের ছেলে এবং রোহিত রঘুরামপুর গ্রামের শফিয়ার রহমানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, হত্যাকাণ্ডের দিন মঙ্গলবার সাইদ সরদারের সঙ্গে অভিযুক্তদের একাধিকবার মোবাইল ফোনে কথা হয়। তদন্তে আরও জানা যায়, মোবাইল ফোনে ডেকে ঘটনাস্থলে নেয়ার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ পাশের একটি ঝোপে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই জাহিদ হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, সাইদ সরদার মাদক সেবনের পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরদিন বুধবার সকাল ৮টার দিকে বাড়ির পাশের কামগাজীর পুকুরপাড় থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আশরাফুল আলম জানান, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়া রোহিত ও মেছো সুমনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত আছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাইদ সরদার ওরফে ‘চশমা সাইদ’ একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ১২টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
