পাইকগাছা ও কপিলমুনি সংবাদদাতা
খুলনায় চিকিৎসাধীন ইউপি সদস্য ফেরদৌস ঢালীর ঘরের তালা ভেঙে জিনিসপত্র তছনছ-ভাঙচুরসহ ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে পাইকগাছার লতার মুনকিয়ার এ ঘটনায় ইউপি সদস্যের বোন আমেনা বেগম বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন বান্দিকাটির জিন্নত গাজী (৬২) ও তার ছেলে বিল্লাল গাজী (৪০) সহ অজ্ঞাত আরো ৬/৭ ব্যক্তি।
জানা গেছে, অভিযুক্ত পিতা-পুত্র ইউপি সদস্যের শ্বশুর ও শ্যালক। তবে, ভাংচুর ও ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা।
লিখিত অভিযোগে আমেনা বেগম উল্লেখ করেন তার ভাই ইউপি সদস্য ফেরদৌস ঢালী গত ২ এপ্রিল থেকে খুলনার সিটি মেডিকেলে চোখ ও দাঁতের অপারেশন হয়ে চিকিৎসাধীন। বাড়িতে না থাকার সুযোগে পূর্বশত্রুতার জেরে বিবাদীসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিরা বৃহস্পতিবার দুপুরে ভাইয়ের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে তারা তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে জিনিসপত্র তছনছ করে ক্ষয়ক্ষতি ও স্বর্ন-টাকা নিতে থাকলে আমার অপর বোন নুরুন্নাহার প্রতিবাদ করলে তাকে লাঞ্ছিত করেন।
চিকিৎসাধীন ইউপি সদস্য ফেরদৌস ঢালী অভিযোগ করেন পূর্বশত্রুতার জেরে আমার ডিভোর্স দেয়া স্ত্রীর বাবা-ভাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি অনলাইনে থানায় জিডি করেছেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শুক্রবার লুৎফর হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি মুঠোফোনে জীবননাশের হুমকি দিয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে, ভাংচুর ও ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি সদস্যের স্ত্রী জানান, আমি বাপের বাড়ি থেকে বাড়ি এসে দেখি ঘরে তালাবদ্ধ। এ অবস্থায় থাকবো কোথায়। তাই স্থানীয় আত্মীয়দের সাহায্য নিয়ে তালা ভেঙে এক ঘরের জিনবসপত্র অন্য ঘরে নিয়েছি।
থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ইউপি সদস্যের বোনের অভিযোগটি একজন পুলিশ অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তার তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করার কথা জানান তিনি।
