বাগেরহাট সংবাদদাতা
বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বাকি একটি আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। ভোট গণনা শেষে শুক্রবার ভোরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম বাতেন তার কার্যালয়ে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
বেসরকারি ফল অনুযায়ী, বাগেরহাট-১, বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৪ আসনে যথাক্রমে জামায়াতের মশিউর রহমান, শেখ মঞ্জুরুল হক ও আব্দুল আলীম এবং বাগেরহাট-৩ আসনে বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
বাগেরহাট-১
এ আসনে ৩ হাজার ২০৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন মশিউর রহমান। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পান ১ লাখ ১৭ হাজার ৫২৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল ধানের শীষ প্রতীকে পান ১ লাখ ১৪ হাজার ৩২৩ ভোট।
আসনটিতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ২৭২ এবং ‘না’ ভোট ৯৯ হাজার ২৭৪।
ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫৬০ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৫২২টি (৬৬.৪৪ শতাংশ)। বাতিল ভোট ৪ হাজার ৬৫১টি।
বাগেরহাট-২
আসনটিতে ৫১ হাজার ৩০০ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন শেখ মঞ্জুরুল হক। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পান ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন পান ৬৬ হাজার ৪০৯ ভোট। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক বিএনপি নেতা এম এ এইচ সেলিম ঘোড়া প্রতীকে পান ৪৮ হাজার ৯৬৫ ভোট।
এই আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬৭ এবং ‘না’ ভোট ৬৮ হাজার ১০৬।
সদর ও কচুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৭ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ২৪৫টি (৭১.৩৭ শতাংশ)। বাতিল ভোট ৩ হাজার ৮৪৯টি।
বাগেরহাট-৩
এ আসনে ১৫ হাজার ৮২৭ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন বিএনপি প্রার্থী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি পান ৯০ হাজার ৫৩৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মাদ আব্দুল ওয়াদুদ সেখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৭৪ হাজার ৭০৯ ভোট।
আসনটিতে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ২৮৯ এবং ‘না’ ভোট ৭২ হাজার ৭৯৫টি।
রামপাল ও মোংলা উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬৪ জন। ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ২১৩টি (৬৪.৫৩ শতাংশ)। বাতিল ভোট ৩ হাজার ১৫৯।
বাগেরহাট-৪
আসনটিতে ১৭ হাজার ৭৪১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন জামায়াতের আব্দুল আলীম। তিনি পান ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সোমনাথ দে পান ৯৮ হাজার ৩২৬ ভোট।
এই আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৩১ হাজার ২৩১ এবং ‘না’ ভোট ৮০ হাজার ৩৮১।
মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮০ হাজার ৬৭৮ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪টি (৬০.১১ শতাংশ)। বাতিল ভোট ৪ হাজার ২৩৯।

