বাংলার ভোর প্রতিবেদক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের নির্বাচনী ফলাফল ঘিরে ব্যাপক আলোচনা চলছে। নির্বাচনে যশোরে জামায়াতের অপ্রত্যাশিত এই সাফল্যে রাজনৈতিক ও সচেতন মহলে নতুন করে বিশ্লেষণের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এই ফলাফলের জন্য বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতাকেই দায়ী করছে। তবে বিএনপির দাবি নির্বাচনে বিপুল অর্থের কারণে তারা পরাজয়ের মুখে পড়েছেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থীরা। অপরদিকে যশোর-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত যিনি বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।

এই ফলাফলে অনেকেই রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক ও সচেতন মহলে। তাদের মতে, একদিকে বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা, অন্যদিকে টাকার প্রভাবে মিলিয়ে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর এবারের নির্বাচনে জামায়াত ইসলামী বড় দুই রাজনৈতিক শক্তির সমান্তরাল হিসেবে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের বিপুল অর্থ ব্যায় নির্বাচন ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে।

এদিকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, এবারের নির্বাচনে শতকোটি টাকা ব্যয়ের পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রমের আড়ালে নারী কর্মীদের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করা হয়েছে। এই অর্থ ও প্রভাব বিস্তারের রাজনীতির কারণেই পরাজয় হয়েছে বিএনপির।

অন্যদিকে জামায়াত ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র গোলাম কুদ্দুস জানান, যশোরের অধিকাংশ আসনে তাদের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভিত শক্ত ছিলো। এ কারণেই তাদের এই সাফল্য।

Share.
Exit mobile version