অভয়নগর প্রতিবেদক
যশোর–খুলনা মহাসড়কের নতুন করে নির্মিত অংশের পাশের কিনারার মাটি ভরাট না করেই যানবাহন চলাচলের জন্য সড়ক উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। মহাসড়কের পাশে সুষ্ঠুভাবে লেভেলিং না করায় যানবাহন ও পথচারীর চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এমন উদাসীনতায়  উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, এই মহাসড়কের ব্যস্ততম এলাকা  রাজঘাট থেকে বসুন্দিয়া পর্যন্ত পিচ ঢালাইয়ের  পরিবর্তে ধাপে ধাপে কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। কিছু কিছু  অংশের সড়ক নির্মাণ করে যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্মিত সে সব অংশের অধিকাংশ সড়কের পাশের কিনারা মাটি দিয়ে ভরাট করেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ।

এতে দ্রুতগতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারালে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন করে সড়ক নির্মাণ করা হলেও সড়কের পাশে মাটি দিয়ে সমান না করায় সড়কের কিনারা অনেকটা উঁচু অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে রাতে চলাচলের সময় মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও ছোট যানবাহনের চালকরা বেশি ঝুকিতে পড়ে শিকার হচ্ছেন দুর্ঘটনার।

সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী শরিফুল নামে এক পথচারী বলেন, মহাসড়কের কিনারা থেকে রাস্তার পাশটা অনেক নিচু। সড়কের পাশের কিনারা ভরাট না থাকায় যানবাহনে উঠার জন্য আমাদের  নিচে দাড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অনেক কষ্ট করে উঠতে হয়। দ্রুত রাস্তার পাশে মাটি ভরাট করে নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করার দাবী জানান তিনি ।

রিংকু নামে এক ইজিবাইক চালক বলেন, রাতে বুঝা যায় না কোথায় রাস্তার শেষ কিনারা। একটু অসাবধান হলেই গাড়ি ছিটকে যে কোন সময় নিচে পড়ে যেতে পারে। আমাদের অনেক ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর যশোরের উপ–সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আনিসুজ্জামান বলেন, রাস্তার কিনারা মাটি ভরাটের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। কংক্রিটের ঢালাই কাজ শেষে তাদের মাটি দিয়ে কিনারা বাধার কাজটি সম্পন্ন করার কথা। যেহেতু পথচারী ও যানবাহন ছোট বড় দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। তাই দ্রুত সময়ে গুরুত্বপূর্ণ যায়গায় মাটি দিয়ে কিনারা বেধে দূর্ঘটনা এড়ানো যায় সে ব্যাপরে আমরা ব্যবস্থা নিবো।

Share.
Exit mobile version