বাংলার ভোর প্রতিবেদক
দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কম জমিতে অধিক ফলন পেতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের বিকল্প নেই। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলা এবং কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যশোর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপি কৃষক কর্মশালা। কর্মশালায় আমন মৌসুমে হাইব্রিড ধানের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। ব্র্যাক সিড অ্যান্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজের এই আয়োজনে মূল লক্ষ্য ছিল প্রান্তিক কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদ কৌশলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া।

কর্মশালায় আমন মৌসুমে ব্র্যাক সিডের উন্নত হাইব্রিড ধানের আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ও কলাকৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ব্র্যাক সিড অ্যান্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজের চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক কৃষিবিদ কামরুল হাসান। কৃষিতে রাষ্ট্রপতি পদক প্রাপ্ত ব্র্যাক সিডের ডিলার ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট যশোরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. এ কে এম খোরশেদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাজিয়া সুলতানা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও খাদ্য চাহিদা মেটাতে উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড ধান চাষের কোনো বিকল্প নেই। কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে এমন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষি কোন সাধারণ বিষয় নয়। এই সম্মন্ধে অনেক বেশি বুঝতে ও জানতে হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ রিসার্চ কাউন্সিল প্রতিনিয়ত কৃষি উন্নয়নে ফসলে সারের নতুনত্ব নিয়ে ডোজের গবেষণা করে যাচ্ছে। কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে এই কাজটি চলমান রয়েছে। এছাড়া সারের ডোজের পরিমাণ ২০২৫ পর্যন্ত করা আছে।

কর্মশালায় জেলার ৫০ জন নির্বাচিত কৃষককে হাইব্রিড ধান উৎপাদন পদ্ধতির ওপর নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের মধ্যে আধুনিক জাত হিসেবে পরিচিত ‘ব্র্যাক হাইব্রিড-১০’ ধানের বিজ বিতরণ করা হয় ।

Share.
Exit mobile version