বাংলার ভোর প্রতিবেদক
ইন্স্যুরেন্স, চাকরি, ব্যবসা এমনকি মোটা অংকের লোন পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে মাহমুদা নামে এক নারীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
শনিবার দুপুর ২ টায় শহরের বড়বাজারের এইচএমএম রোড এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশে দেন তারা। এ সময় তারা থানার ভিতর বিচারের দাবি জানিয়ে ঘন্টাব্যাপি বিক্ষোভ করেন।
শনিবার দুপুর ২টার দিকে প্রতারক মাহামুদাকে শহরের বড়বাজার এলকায় ঘুরতে দেখেন লিয়াকত নামে এক ভুক্তভোগী। এ সময় তিনি প্রতারককে আটকে রেখে অন্যদের খবর দিলে তারাও ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হন।
এর কিছু সময় পর মাহমুদার ছেলে মাহিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন তারা। এ সময় কয়েকজন তাকে মারধরও করেন। পরে তাদেরকে থানায় নিয়ে পুলিশে সোপার্দ করেন।
ভুক্তভোগী পলাশ জানান, মাহমুদা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কৌশলে মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। বিশেষ করে ইন্স্যুরেন্সের নামে টাকা নেয়া, চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি এবং মোটা অংকের লোন দেয়াসহ নানা সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেছেন বলে অভিযোগ করছেন তারা।
ভুক্তভোগী রাশিদা বেগম জানান, মাহমুদা এলাকায় ‘মামলাবাজ’ হিসেবেও পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানি করতেন।
এ বিষয়ে যশোর কোতয়ালী মডেল থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ বলেন, প্রতারণার শিকার হওয়া ভুক্তভোগীরা মাহমুদাকে আটক করে পুলিশে দেয়। ভুক্তভোগীরা মামলা দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
