বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নে শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে এলাকাবাসী আয়োজিত এ মানববন্ধন থেকে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানানো হয়।
ঘন্ট্যাব্যাপি চলা মানববন্ধনে বক্তারা জানান, ২০২৫ সালের ৪ ডিসেম্বর দুপুরে সদর উপজেলার রায়মানিক গ্রামে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আক্তার সরদারের ছোট ভাই সোহাগ সরদার চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ধর্ষকের কোনো দল নেই। অপরাধী যে দলেরই হোক, সে সমাজের শত্রু। তাকে রাজনৈতিক ছত্রছায়া থেকে বের করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় তারা ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, আগামী তিন দিনের মধ্যে মূল অভিযুক্ত সোহাগ সরদারকে গ্রেপ্তার করা না হলে থানা ঘেরাও, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়, কচুয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আক্তার সরদার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তার ভাই সোহাগ হোসেনের অপরাধ আঁড়াল করার চেষ্টা করছেন। এমনকি মামলার বাদী শিশুটির বাবা মো. লাবুকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। চানপাড়া ফাঁড়ির এক পুলিশ সদস্য সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি মীমাংসার জন্য চাপ দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন বক্তারা।
বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে মানববন্ধনে জানানো হয়। দ্রুত অভিযুক্তের গ্রেপ্তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী শিশুর মা সোনিয়া খাতুন, নানা তৌহিদুর রহমান এবং চাচা গোলাম কাদের। এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য দেন আইয়ুব আলী সরদার, মফিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম, মো. নুরুজ্জামান ও লিলি খাতুন।
এছাড়াও বক্তব্য দেন, এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী আশালতা আশা, ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক খান মিফতাহুল মোস্তাফিজ অমিত, যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজুল ইসলাম, সদস্য সচিব আল হাসিব এবং যুব শক্তির সংগঠক সায়মা সিদ্দিকা।
