বাংলার ভোর প্রতিবেদক

যশোর জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক মুন্নার আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলা বিএনপির আয়োজনে বাদ আসর দলীয় কার্যালয়ের সামনে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাজাত পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, যশোর জেলা বিএনপি যে কয়েকটি খুটির ওপর প্রথম দাঁড়িয়েছিল এহসানুল হক মুন্না তাদের মধ্যে অন্যতম। আজকে যারা বিভিন্ন উপজেলা এবং পৌর শাখায় বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তারাও মুন্নার সাথে রাজনীতি করেছেন। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সফল নেতৃত্ব ছিলেন এহসানুল হক মুন্না। আওয়ামী লীগকে রাজপথে মোকাবেলা করার সাহসী নেতৃত্ব ছিলেন তিনি।

১৯৯৯ সালে তৎকালীন শেখ হাসিনার তপ্ত বুলেট তিনি হৃদয় দিয়ে ধারণ করেছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সেই বুলেট এবং তার ক্ষত বহন করেছেন। এরপর তিনি সুস্থ জীবনে না ফিরলেও অসুস্থ শরীর নিয়ে তার বেঁচে থাকা টা ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে আমাদের সাহস জুগিয়েছিল। শেখ হাসিনার নির্মম নির্যাতনের মুখে হতাশাগ্রস্থ নেতাকর্মী লালদিঘীপাড়ে মুন্নাকে দেখে সাহস পেতো। তার জীবন থেকে অনেক অনুপ্রেরণা খোজার সুযোগ আছে।

দলের নীতি, আদর্শ এবং শীর্ষ নেতত্বের প্রতি বিশ্বস্ত এবং আনুগত্যের পরীক্ষায় শত ভাগ নাম্বার পেয়ে তিনি উত্তীর্ণ হয়েছেন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি শতভাগ অনুগত এবং বিশ্বাস রেখে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণ করতে পারি তাহলে মুন্নার বিদেহী আত্মার শান্তি পাবে এবং তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু। পরে এহসানুল হক মুন্নার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, শহিদুল বারী রবু, সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাড. মোহাম্মদ ইসহক, নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পৌর মেয়র মারুফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ, অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, সিরাজুল ইসলাম, নগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লুক চাঁদ, সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আজম, বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যাপক আব্দার হোসেন খান, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ, সদস্য সচিব আনসারুল হক রানা, জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মকবুল হোসেন, জেলা শ্রমিকদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু জাফর, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, জেলা মহিলাদলের সভাপতি রাশিদা রহমান, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী বেগম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল, সদস্য সচিব রাজিদুর রহমান সাগর, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওমর ফারুক তারেক, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পি প্রমুখ।

Share.
Exit mobile version