Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • যশোরে গৃহবধূর মৃত্যু ঘিরে রহস্য, স্বজনদের হত্যার অভিযোগ
  • সরকারি বরাদ্দের বাইসাইকেল নিয়ে বিতর্ক : ফেরত দিলেন কোটচাঁদপুর জামায়াতের আমির
  • তালার নগরঘাটা-মাছখোলা রাস্তার নির্মাণ কাজ উদ্বোধন
  • মণিরামপুরে পোষা বিড়ালকে লাথি মেরে আহত, থানায় অভিযোগ
  • বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন মনির স্মরণসভা উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটি গঠন
  • ১২ দিনেও মেলেনি মণিরামপুরের হারুনের খোঁজ
  • বেনাপোলে ১৩৯ বছরের বিদ্যালয়ে মৃত্যুঝুঁকিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান
  • ২৪ ঘণ্টায় যশোরে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৭ জন
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
বৃহস্পতিবার, জুলাই ২
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম ডিসেম্বর ১০, ২০২৪

বিলুপ্তির পথে ধানের গোলা

banglarbhoreBy banglarbhoreNo Commentsডিসেম্বর ১০, ২০২৪
Facebook Twitter WhatsApp
Share
Facebook Twitter LinkedIn

মণিরামপুর (পশ্চিম) সংবাদদাতা
আগেকার দিনের নামকরা গেরস্থ বলতে মাঠ ভরা সোনালি ফসলের ক্ষেত, পুকুর ভরা মাছ ও কৃষকের গোলা ভরা ধান এখন প্রবাদ বাক্যে পরিণত হতে চলেছে। যশোর জেলার প্রতিটি উপজেলার রাজগঞ্জ অঞ্চলের প্রতিটি গ্রামে বাংলার সমৃদ্ধির প্রতীক ধানের গোলা এখন বিলুপ্ত প্রায়।

মাঠের পর মাঠ ধান ক্ষেত থাকলেও অধিকাংশ কৃষকের বাড়িতে নেই ধান মজুদ করে রাখার বাঁশ বেত ও কাদা-মাটি দিয়ে তৈরি গোলাঘর। অথচ এক সময় সমাজের নেতৃত্ব নির্ভর করত কার কয়টি ধানের গোলা আছে তার উপর নির্ভর করে। এরকমই হিসেব কষে কন্যা পাত্রস্থ করতেন বর পক্ষের বাড়ি ধানের গোলার খবর নিতেন কনে পক্ষের লোকজন। যা এখন শুধু কল্পকাহিনী মাত্র। গ্রামাঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে বাঁশ, বাঁশের কিংবা সুপারী গাছের বাতা ও কঞ্চি দিয়ে প্রথমে গোল আকৃতির কাঠামো তৈরি করা হত। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বর্গ অথবা আয়তক্ষেত্র আকারে গোলাঘর তৈরি করা হত। এর পর তার গায়ে ভিতরে ও বাহিরে বেশ পুরু মাটির আস্তরণ লাগানো হত। এর মুখ বা প্রবেশ পথ রাখা হত বেশ উপরে (ধান বের করার জন্য অনেকে নিচে বিশেষ দরজা রাখতেন) যেন চোর/ডাকাতরা চুরি করতে না পারে। ধানের গোলা বসানো হতো উঁচু স্থানে।

গোলার মাথায় থাকত বাঁশ ও খড়ের তৈরি বা টিনের তৈরি ছাউনি। যা দেখা যেত অনেক দূর থেকে। গোলাঘর নির্মাণ করার জন্য বিভিন্ন এলাকায় আগে দক্ষ শ্রমিক ছিল। এখন আর দেশের বিভিন্ন জেলা শহর থেকে আসা গোলা ঘর নির্মাণ শ্রমিকদের দেখা মেলে না। পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন। গোলা ঘর নির্মাণের জন্য তাদের সংবাদ দিয়ে আনতে হত। তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে নানা পরামর্শ করে (মাটি পর্যবেক্ষণ, জায়গা নির্ধারণ) করে নির্মাণ কাজে হাত দিত। একেকটা গোলা ঘর নির্মাণ খরচ পড়ত তার আকার ও শ্রমিক কত লাগবে তার উপর নির্ভর করে।

তবে একেকটা গোলা ঘরের নির্মাণ খরচ পড়ত সেই সময়কার ১২-১৫ হাজার টাকা। বর্ষার পানি আর ইঁদুর তা স্পর্শ করতে পারত না। মই বেয়ে গোলায় উঠে তাতে ফসল রাখতে হতো। এই সুদৃশ্য গোলা ঘর ছিল সম্ভ্রান্ত কৃষক পরিবারের ঐতিহ্য। সে সময় ভাদ্র মাসে কাঁদা পানিতে ধান শুকাতে না পেরে কৃষকরা ভেজা আউশ ধান রেখে দিতো গোলা ভর্তি করে। গোলায় শুকানো ভেজা ধানের চাল হত শক্ত। কিন্তু বর্তমানে রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও আধুনিক কলের লাঙ্গল যেন উল্টে পাল্টে দিয়েছে গ্রামাঞ্চলের চিত্র। গোলায় তোলার মত ধান আর তাদের থাকে না। গোলার পরিবর্তে কৃষকরা ধান রাখা শুরু করে বাঁশের তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি ডোলায়। ধান আবাদের উপকরণ কিনতেই কৃষকের টাকা ফুরিয়ে যায়। কৃষকের ধানের গোলা ও ডোলা এখন শহরের বিত্তশালীদের গুদাম ঘরে পরিণত হয়েছে। ইট বালু সিমেন্ট দিয়ে পাকা ইমারত গুদাম ঘরে মজুদ করে রাখা হচ্ছে হাজার হাজার টন ধান চাল। অনেক ক্ষুদ্র কৃষক বস্থা ও ব্যারেল ভর্তি করে রাখছে আউশ, আমন ও বোরো মৌসুমে উৎপাদিত ধান চাল। তবে গ্রাম অঞ্চলে এখনো বাপ-দাদার ঐতিহ্যবাহী গোলা রক্ষায় ধনী শ্রেণীর কৃষকরা বাঁশের তৈরি গোলা ধরে রেখেছেন। বাস্তবতা বড়ই নিষ্ঠুর। আগামী প্রজন্মের কাছে গোলা ঘর একটি স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। আধুনিক গুদাম ঘর ধানচাল রাখার জায়গা দখল করছে। ফলে গোলা ঘরের ঐতিহ্য একেবারেই হারিয়ে যাচ্ছে।

বিলুপ্তি
Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

যশোরে গৃহবধূর মৃত্যু ঘিরে রহস্য, স্বজনদের হত্যার অভিযোগ

সরকারি বরাদ্দের বাইসাইকেল নিয়ে বিতর্ক : ফেরত দিলেন কোটচাঁদপুর জামায়াতের আমির

তালার নগরঘাটা-মাছখোলা রাস্তার নির্মাণ কাজ উদ্বোধন

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.