বাংলার ভোর প্রতিবেদক
পিতা সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের হাতে গড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খরিচাডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন করে উন্নয়ন চাইলেন ছেলে যশোর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের কাছে। শনিবার তৃতীয় দিনে সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে সতীঘাটা বাজারে পথ সভায় অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের কাছে এই দাবি করেন দীর্ঘ ১৭ বছরের অবহেলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক কে এম আজগর আলী।
প্রধান শিক্ষক কে এম আজগর আলী বলেন ১৯৯৫ সালে তৎকালীন মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের শাসনামলে প্রতিষ্ঠানটি উন্নয়ন বঞ্চিত। যতবারই আমি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন চেয়েছি, ততবারই বঞ্চিত করা হয়েছে। তরিকুল ইসলামের হাতে গড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলে কোন উন্নয়ন করেনি আওয়ামী লীগ সরকার। ভবনের অভাবে পাঠদান ব্যহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় পাঠদান কক্ষ না থাকায় ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হতে চায় না।
কানাইতলার বাসিন্দা নজরুল ইসলাম এবং গৃহবধূ রোকসানা খাতুন, অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের উদ্দেশ্য বলেন আপনার পিতা রাস্তা করে গেছেন। কিন্তু সেই রাস্তায় কোন ইট পড়েনি। আমরা আশা করবো আগামী দিনে আপনি সংসদ নির্বাচিত হয়ে রাস্তাটি করবেন।
শিক্ষক কে এম আজগর আলী, স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম এবং গৃহবধূ রোকসানা প্রত্যাশা পূরণে প্রতিশ্রুতি দেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন পিতার মতো আমি সুযোগ পেলে পিতার উন্নয়নে ধারা ফিরিয়ে আনবো। মানুষের জীবন মান উন্নয়নে রাজনীতি করি। মানুষকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করি। সমাজে সাম্য, মানবিক, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি করি।
পরে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বাজুয়াডাঙায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্য বলেন, আপনারা নিজেরদের দুর্বল ভাববেন না। আওয়ামী লীগ আপনাদেরকে তাদের সম্পত্তি হিসেবে ভোগ দখল করেছিল।
কিন্তু আমরা আপনাদেরকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করি। তরিকুল ইসলামের সন্তান হিসেবে এই মাটিতে আমার যতখানি অধিকার রয়েছে, আপনাদের সন্তানদেরও ঠিক ততখানি অধিকার রয়েছে। ধর্মের কথা বলে মানুষের মধ্যে বিভেদ রেখা টানা ধর্মের কাজ না। ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষের মধ্যে বিভেদ রেখা টানে।
এই ভূখণ্ডে বসবাসকারী সকলের একটি পরিচয় আমরা বাংলাদেশী। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ফুল ছিটিয়ে এবং উলুধ্বনি দিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে বরণ করেন।
রাজারহাট বাজারের গণসংযোগের মধ্য দিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। রামনগর ইউনিয়নে প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন।

