বাংলার ভোর প্রতিবেদক :
তিন বছরের ছোট্ট শিশু সানজিদা ইসলাম সাফিয়ার জীবন আজ চরম সংকটে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তার দুটি কিডনির ছাঁকনিই (ফিল্টার) মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে এবং জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী ও অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা। সাফিয়ার পরিবারের পক্ষে এই বিশাল চিকিৎসার খরচ বহন করা কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।
সব সঞ্চয় ও সহায় সম্বল শেষ করে এখন অসহায় হয়ে পড়েছে তার পরিবার। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত উন্নত চিকিৎসা শুরু করা না গেলে শিশুটির জীবন ঝুঁকির মুখে পড়বে।
একটি অবোধ শিশুর মুখে আবার হাসি ফোটাতে সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি ও মানবিক সংগঠনগুলোর কাছে আকুল আবেদন জানানো হচ্ছে। আপনার সামান্য আর্থিক সাহায্য বা সহানুভূতিই পারে সাফিয়াকে নতুন জীবন দিতে।
গত এক বছর ধরে অসুস্থ সাফিয়ার চিকিৎসা চালাতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে তার পরিবার। শিশুটির চিকিৎসা চলমান রাখতে এখন প্রয়োজন প্রায় পাঁচ লাখ টাকা।
অসুস্থ সাফিয়া যশোরের অভয়নগর উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নরে সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর পিতা শহিদুল ইসলামের মেয়ে।
শহিদুল ইসলাম তার মেয়ের অসুস্থতা সম্পর্কে বলেন, এক বছর ধরে ঢাকা, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মেয়ের চিকিৎসা করালেও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি।
চিকিৎসকরা বলছেন, সাফিয়ার সুস্থতার জন্য অন্তত ১৭ বছর ধরে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। জমিজমা ও স্ত্রীর স্বর্ণালংকার বিক্রি, ধার-দেনা ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মেয়ের চিকিৎসা বাবদ ইতোমধ্যে ছয় লাখ টাকা খরচ হয়েছে।
বর্তমানে মেয়ের চিকিৎসা চলমান রাখতে আরো পাঁচ লাখ টাকা প্রয়োজন।
সাহায্য পাঠাতে যোগাযোগ করুন- সানজিদা ইসলাম সাফিয়ার পিতা শহিদুল ইসলাম-০১৯১০-০০৯০৯৮ (বিকাশ)।
