বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোর সদর উপজেলার মাহিদিয়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাহাফুজ্জামান মিকুল। বৃহস্পতিবার সকালে প্রেসক্লাব যশোরের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ৪নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাহাফুজ্জামান মিকুল বলেন, মাহিদিয়া মৌজার ১১৬৭ খতিয়ানের ৩৬৬০ ও ৩৬৬১ দাগের ৪৫ শতক জমি আমার পিতা ও পূর্বপুরুষগণ ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভোগদখল করছেন। এই জমির ২৭, ৬২ ও ৯০ সালের সকল রেকর্ড আমাদের নামেই বিদ্যমান।
মিকুল অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী কামরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শিল্পী বেগম পরসম্পদলোভী ও প্রতারক প্রকৃতির লোক। তাদের জমি (দাগ নং ৩৬৫৮) এবং মিকুলদের জমি উভয়ই সরকারি রাস্তার পাশে অবস্থিত। কিন্তু কামরুল দম্পতি নিজেদের জমির সামনের ৩৫ ফুটের বেশি প্রশস্ত সরকারি রাস্তায় ওঠার জায়গা বাদ দিয়ে জোরপূর্বক মিকুলদের জমির ওপর দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের নিজেদের সীমানা দিয়ে যাতায়াত করতে অনুরোধ করলে তারা আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই ঘটনায় আমার পিতা কামরুজ্জামান কাবুল কোতয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কামরুল ইসলাম জমি কেনার আগে ওই জমির পূর্ববর্তী মালিকদের সাথে মিকুল পরিবারের ৮০ বছরের দীর্ঘ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ছিল। তখন উভয় পক্ষই যার যার সামনের রাস্তা ব্যবহার করতেন। একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনে বর্তমানে সেই পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে, গত ২০ এপ্রিল একটি পত্রিকায় তাদের বিরুদ্ধে আনীত জমি দখলের অভিযোগকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ দাবি করে মিকুল বলেন, প্রকাশিত ওই সংবাদের আমি তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা আপনাদের মাধ্যমে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও তদন্ত কামনা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে মিকুলের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন তার আত্মীয় বাবুল সরদার, ইনামুল সরদার, শিপন মোল্যা ও বাবু শেখ।
এদিকে, সংবাদ সম্মেলনে আনীত এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কামরুলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

