রামপাল সংবাদদাতা
রামপাল উপজেলা যুবদল ও সেচ্ছাসেবক দল নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উপজেলাজুড়ে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ১ জুন রাতে নিহত সাবেক যুবলীগ নেতা এখলাস গাজীর ছোট ভাই মাসুদ গাজী রামপাল থানায় বিএনপি নেতৃবৃন্দের নাম উল্লেখ করে মামলাটি করেন। এতে আসামি করা হয়েছে, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব এসএম আলমগীর কবির বাচ্চু, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী অজিয়ার রহমান, বিএনপি নেতা শেখ আ. ওহাব, বিএনপি কর্মী শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন ও তার ভাই বাকী বিল্লাহকে।
এদিকে, হায়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার দাবিতে বিবৃতি দিয়েছেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, সদস্য সচিব আলতাপ হোসেন বাবু, সহসভাপতি শেখ ফিরোজ করির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুুগ্ম আহবায়ক মোস্তফা কামাল পাটোয়ারি, সাবেক সদস্য সচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আল আমীন হাওলাদার, মাসুদুর রহমান পিয়াল, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মল্লিক জিয়াউল হক জিয়া, সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাজহারুল ইসলাম ইয়ামিন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক মোল্লা তরিকুল ইসলাম শোভনসহ বিভিন্ন অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে তারা জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতা এখলাস হত্যার ঘটনার সাথে বিএনপির কোন নেতা-কর্মী জড়িত নন। একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে পুঁজি করে একটি মহল নিষিদ্ধ আ.লীগকে প্রতিষ্ঠিত করতে বিএনপির বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করে আসছে। একটি গুপ্ত রাজনৈতিক দলের প্রচ্ছন্ন মদদে নিষিদ্ধ আ.লীগ তাদের অবস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। নেতৃবৃন্দ আরো জানান, উপজেলার বাসস্টান্ডের হুমায়ুনের চায়ের দোকানে এখলাস বসে ছিল। সেখানে মাইঝে ওরফে মাহামুদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। দোকানদার হুমায়ুন একাধিক মিডিয়ার সামনে বলেছে, মাইঝে এখলাসকে মারপিট করেছে। অন্য কারো কথা সেখানে সে বলেনি। এরপরেও বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের নামে মামলা দেয়া সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার না করা হলে বৃহত্তর কর্মসূচি দেয়া হবে বলে আল্টিমেটাম দেয়া হয় বিবৃতিতে।
উল্লেখ, গত রোববার বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার বাসস্টান্ডে হুমায়ুনের চায়ের দোকানে নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতা এখলাস হামলার শিকার হন এবং পরে মারা যান। পুলিশ সোমবার দুপুরে প্রধান আসামি মাইঝে ওরফে মাহামুদ শিকদারকে গ্রেফতার করে।

