Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • জয় হোক সাম্যের : মহান মে দিবস আজ
  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত
  • নদীর মাটি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি : মণিরামপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ১৫
  • অক্সফোর্ড স্কুলে পুরস্কার বিতরণ: সহশিক্ষায় গুরুত্বারোপ অধ্যাপক নার্গিস বেগমের
  • রাতভর বৃষ্টি : কেটে রাখা ধান ভিজে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় কৃষক
  • যশোরে যুবলীগের ব্যানারে মিছিলের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৯
  • শিশু ধর্ষকের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে যশোরে মানববন্ধন
  • যশোরে সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ ৪০ জনের নামে মামলা
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
শুক্রবার, মে ১
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

জলবায়ু পরিবর্তন : উপকূলবাসী হচ্ছে উদ্বাস্তু

banglarbhoreBy banglarbhoreডিসেম্বর ৩, ২০২৩No Comments
Facebook Twitter WhatsApp
Share
Facebook Twitter LinkedIn

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলের বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের পশ্চিম দুর্গাবাটি গ্রামের বাসিন্দা গিরিন্দ্রনাথ রপ্তান জানান, এ গ্রামে আগে চারশ পরিবার বসবাস করত। এর মধ্যে দুই শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
খোলপেটুয়া নদীর বাঁধের উপর দাঁড়িয়ে বৃদ্ধ গিরিন্দ্রনাথ রপ্তান হাত দিয়ে মাঝ নদী বরাবর তার বাড়িঘরের নিশানা দেখাচ্ছিলেন। জানাচ্ছিলেন তার অতীতের দুঃখগাঁথা। তাদের কেউ কেউ পাড়ি জমিয়েছেন দেশের বিভিন্ন জেলায়, কেউবা প্রতিবেশী দেশ ভারতে। এর মধ্যে গিরিন্দ্রনাথ রপ্তানের দুই ভাই সুকুমার রপ্তান ও সুকুপদ রপ্তানের পরিবারও চলে গেছে ভারতে। তবে, জন্মভূমি ছাড়েননি গিরিন্দ্রনাথ রপ্তান।
গিরিন্দ্রনাথ বলেন, ২০০৯ সালে আইলায় (ঘূর্ণিঝড় আইলা) দূর্গাবাটির বেড়িবাঁধ ভেঙে আমাদের সবকিছু নদীগর্ভে চলে যায়। শুধু আমাদেরই নয়, এখানে বসবাস করত রপ্তান, সরকার ও মোড়ল গোষ্ঠীর লোকেরা। তিন গোষ্ঠীরই বেশিরভাগ সহায়-সম্পত্তি ও ঘরবাড়ি এখন নদীর মাঝখানে। আমরা কোনোমতে অন্যের জায়গায় একটি খুপড়ি ঘর বেঁধে বসবাস শুরু করি। পরে সামান্য একটু জমি কিনে ঘর করেছি।কেন এভাবে উদ্বাস্তু হচ্ছে উপকূলের মানুষ, তার প্রধান কারণ যে জলবায়ু পরিবর্তন, সেই সম্পর্কে গিরিন্দ্রনাথের ধারণা নেই। তবে তিনি জানান, ২০০৯ সালের পর প্রতিবছরই এক বা একাধিক ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে বিধ্বস্ত হয়েছে উপকূলের প্রতিটি পরিবার। কেউ ঘর-বাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন, কেউবা হারিয়েছেন ফসলের জমি।
তিনি জানান, অনেকে কর্ম হারিয়ে ছেড়েছেন এলাকা। সেই সঙ্গে বিনষ্ট হয়েছে এলাকার প্রাণবৈচিত্র্য, খাদ্য নিরাপত্তা। বাসিন্দাদের দেহে বাসা বেঁধেছে পুষ্টিহীনতা, বিস্তার লাভ করেছে রোগ বালাই। বেড়েছে বাল্যবিয়ে, ঝরে পড়ছে শিশুরা, বাধ্য হচ্ছে শিশুশ্রমে।
একই এলাকার বাসিন্দা সুপদ মন্ডল (৬২) বলেন, বারবার প্রাকৃতিক দুযোর্গের কারণে উপকূলের প্রতিটি পরিবারই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু পশ্চিম দূর্গাবাটি গ্ৰামেরই ৩০টি পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছে।
স্থানীয় লক্ষ্মী রানী বলেন, পশ্চিম দূর্গাবাটি গ্রামে এখন আর ধান হয় না। বার বার ঘূর্ণিঝড় আর নদী ভাঙনে পুরো এলাকা লবণাক্ত হয়ে গেছে। এজন্য এলাকায় আর কাজ নেই, অনেকের ঘরে খাবারও থাকে না। আমার চোখে দেখা নদীর মধ্যে বিলীন হয়ে গেছে সরকার, রপ্তান ও মোড়ল বংশের প্রায় এক হাজার বিঘা জমি।
শুধু পশ্চিম দূর্গাবাটি গ্রামই নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে শ্যামনগর উপকূলের পদ্মপুকুর, গাবুরা, মুন্সীগঞ্জ, কৈখালী, আটুলিয়া ও কাশিমাড়ির হাজারো পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে
জলবায়ুকর্মী শাহিন আলম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলের মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে পড়ছে। সংকট দিন দিন আরও বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করে উপকূলের মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। জলবায়ু ট্রাস্টের অর্থ জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্তদের কল্যাণে ব্যয় করতে হবে।

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

নদীর মাটি বিক্রির টাকা ভাগাভাগি : মণিরামপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ১৫

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

অক্সফোর্ড স্কুলে পুরস্কার বিতরণ: সহশিক্ষায় গুরুত্বারোপ অধ্যাপক নার্গিস বেগমের

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

রাতভর বৃষ্টি : কেটে রাখা ধান ভিজে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় কৃষক

এপ্রিল ৩০, ২০২৬

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.