বাংলার ভোর প্রতিবেদক
সাতক্ষীরা সদর থানার সদ্য সাবেক ওসি মহিদুল ইসলামের সাজানো মামলা থেকে মুক্তি চান সাংবাদিক ফিরোজ হোসেন। দীর্ঘ একবছর মামলার হাজিরা দিতে আদালতের বারান্দায় ঘুরে ঘুরে নিঃস্ব হয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে সাংবাদিক ফিরোজ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
সাংবাদিক ফিরোজ হোসেন জানান, বিরোধী দলের আন্দোলন দমাতে গতবছরের জুলাইতে সাতক্ষীরা জুড়ে চালানো পুলিশি ব্যাপক ধর-পাকড়। এ বিষয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করার কারণে ৩১ জুলাই আমাকে ও দৈনিক সাতক্ষীরার সকাল পত্রিকার প্রতিনিধি শাহজাহান আলীকে থানায় নিয়ে যান সদর থানার এসআই হাসানুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স। পরে রাতে তৎকালীন ওসি মহিদুল, তদন্ত ওসি নজরুল ইসলাম আমাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। এবং আমাদের মোবাইল চেক করে নানারকম হুমকি ধামকি দিতে থাকে। একপর্যায়ে সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান খান আসেন। এ সময় তিনি বলেন, তোমরা বিএনপি জামায়াতের নিউজ করো? জামায়াত বিএনপির সাথে কয়েকদিন জেলখানায় ঘুরে আসো।
এর পরে আমাদেরকে গত ২২ জুন শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকা থেকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চালান দেয়া হয়। দীর্ঘ ২৫ দিন জেলখেটে জামিনে বের হলেও ১ বছরের বেশি সময় ধরে মিথ্যা মামলায় এখনো আদালতের বারান্দায় ঘুরতে ঘুরতে আজ নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।
সাংবাদিক ফিরোজ হোসেন তার বিরুদ্ধে হওয়া ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারসহ ওসি মহিদুল ইসলাম, তদন্ত ওসি নজরুল ইসলাম, ও সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারসহ দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ।
শিরোনাম:
- জাতীয় পার্টির যশোর জেলা ও উপজেলার ২৫ নেতার পদত্যাগ
- একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদী আর নেই
- জামাই ষষ্ঠীর বেচাকেনায় বাজার চাঙ্গা : সব্জি ছাড়া সবকিছুর দামই চড়া
- বেনাপোলে দেড় লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ
- যশোরে বড় বোনের ছুরিকাঘাতে ছোট বোন আহত
- মণিরামপুরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী ও সৎবাবা কারাগারে
- যশোরে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গণপিটুনি
- ডুমুরিয়া প্রশাসন ও পাউবোর তদারকিতে রক্ষা পেল আবাসনের ১৯ পরিবার
