বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরের সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যশোর সংস্কৃতিকেন্দ্রের আয়োজনে বৃহস্পতিবার রাতে শহরের চিত্রা মোড়ের একটি হোটেলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যশোর জেলা আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুল।
যশোর সংস্কৃতিকেন্দ্রের সভাপতি অ্যাড. গাজী এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের সাবেক ভিপি আব্দুল কাদের, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন এবং লেখক গবেষক বেনজিন খান।
প্রধান অতিথি অধ্যাপক গোলাম রসুল তার বক্তব্যে বলেন, যশোর হলো সংস্কৃতির কেন্দ্রভূমি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন পর্যন্ত প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের জোরালো ভূমিকা ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে গান, নাটক ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল।
আগামীতে যেকোনো ধরনের আধিপত্যবাদ ও সকল প্রকার অপসংস্কৃতি রুখতে যশোরের সাংস্কৃতিক ব্যক্তি ও সংগঠনগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মতবিনিময় সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, যশোর সংস্কৃতিকেন্দ্রের সদস্য সচিব অধ্যাপক আবুল হাশিম রেজা।
যশোর সংস্কৃতিকেন্দ্রের নাট্য সম্পাদক মাহদী হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন, দ্যোতনা সাহিত্য পরিষদ যশোরের সাধারণ সম্পাদক কবি শাহরিয়ার সোহেল এবং কৃষ্টিবন্ধন যশোরের সাধারণ সম্পাদক কবি এমএ কাসেম অমিয়।
অনুষ্ঠানে মতামত ব্যক্ত করেন, বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সাবেক সভাপতি কবি আবু দাউদ মোসলেহ উদ্দিন রতন, ব্যঞ্জন যশোরের সভাপতি স্বপন গাংগুলি, যুগ্ম সম্পাদক আলেয়া প্রেমা, ব্যঞ্জন থিয়েটারের পরিচালক আসিফ খান, প্রাচ্যসংঘের সাধারণ সম্পাদক সোহানুর রহমান প্রমুখ।
অন্যান্যদের মধ্যে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, গোলাম মোস্তফা মুন্না, রেজা মন্ডল, কণ্ঠশিল্পী রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বায়তুল মামুর মসজিদের খতিব মুফতি এনামুল হক। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কবি তরিকুল ইসলাম।

