রামপাল সংবাদদাতা
গত ১৭ বছর ধরে একটানা চক্ষু চিকিৎসা শিবির পরিচালনা করে আসছেন লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি এ পর্যন্ত প্রায় ১১ হাজার চক্ষু রোগীকে ছানি অপারেশনসহ লেন্স সংযোজন, নেত্রনালী এবং ছোখের জটিল অপারেশন করিয়ে মানুষের চোখের আলো ফিরিয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও ওই সময়ের মধ্যে প্রায় লক্ষাধিক চক্ষু রোগীর প্রাথমিক সেবা প্রদান ও ওষুধ এবং চশমা প্রদান করেছেন এই নেতা।

শুক্রবার বেলা ১১ টায় পেড়িখালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ এলাকার মাটি ও মানুষের মাঝে আমার বেড়ে ওঠা। আমি এ এলাকার সন্তান। এ এলাকার মানুষের কল্যাণে নিজের আরাম আয়েশি জীবনকে অনেকটা বিপন্ন করে আপনাদের পাশে রয়েছি। আপনাদের সাথে সুখ ও দুঃখ ভাগাভাগি করে নিয়েছি। শত প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে আপনাদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। আমি আপনাদের আত্মীয়। আমি আপনাদের সন্তান।

তিনি আরো বলেন, আমি আপনাদের কাছে এমপি নই, মন্ত্রী নই। আমি আপনাদের সেবক। আপনাদের সেবক হয়ে থাকতে চাই। আপনারা আমাকে সুযোগ করে দিয়েছেন। আপনাদের কাছে আমি ঋণি। এ এলাকার মানুষের জন্য আমি আমার জীবন উৎসর্গ করেছি। আপনাদের দোয়া চাই। সহযোগিতা চাই।

চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠানে পেড়িখালী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ সুলতান আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, সাবেক সদস্য সচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম, মোংলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি স. ম ফরিদ, মোংলা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মানিক, পেড়িখালী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর কুমার শিকদার, পেড়িখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ মোতাহার আলী প্রমুখ।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৩ টায় চক্ষু চিকিৎসা শিবিরে ২ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ মোট ৭ জন চিকিৎসক আগত রোগীদের মধ্যে ছানি অপারেশনের জন্য প্রায় ৬ শতাধিক ছানি রোগী বাছাই করেন।

ওই সময়ের মধ্যে প্রায় ৫ হাজার রোগীকে ওষুধ ও চশমাসহ প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠানে রামপাল ও মোংলা উপজেলার বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Share.
Exit mobile version