চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
চৈত্রের শেষার্ধে এসে চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এতে করে এলাকাজুড়ে তীব্র গরমের প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফলে প্রচণ্ড গরমে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের জীবন।

শুক্রবার সকাল থেকেই সূর্যের তীব্র তাপ আর গরম বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে পুরো জনপদ। দুপুর গড়াতেই তাপমাত্রা আরো বেড়ে যায়। তীব্র গরমের কারণে জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়কের পিচ গলে যেতে দেখা গেছে।

বিশেষ করে শহরের পৌরসভার সামনে সড়কের পিচ নরম হয়ে ওঠার দৃশ্য চোখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। খোলা আকাশের নিচে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক ও দিনমজুররা সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন। অনেককেই ছায়ার খোঁজে রাস্তার পাশে কিংবা দোকানের সামনে আশ্রয় নিতে দেখা গেছে।

পথচারী কিয়াম আলী বলেন, গত দিন ধরে প্রচণ্ড গরম অনুভব হচ্ছে। বিশেষ করে বেলা বাড়লে আর বাইরে থাকা যাচ্ছে না। প্রখর রোদে মনে হচ্ছে শরীর ঝলছে যাচ্ছে।

কৃষক আলী আকবর বলেন, সকাল ৭টায় মাঠে এসেছিলাম। খুব কষ্টে ১১টা পর্যন্ত কাজ করেছি। এত রোদ, গরমে কাজ করা কষ্টের। তাই বাড়ি ফিরছি।

মোটরসাইকেল চালক আবুল ইসলাম বলেন, গরমে সিদ্ধ হওয়ার মতো অবস্থা। যেতে হবে বহুদূর, তাই একটু বিশ্রাম নেয়ার জন্য কাঁঠাল গাছের নিচে দাঁড়ালাম।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, এ তাপপ্রবাহ আরো কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। এর মধ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই।

Share.
Exit mobile version