বাংলার ভোর প্রতিবেদক
যশোরের চৌগাছায় মামাতো বোনের প্রেমঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ঝন্টু মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
যশোরের চৌগাছায় মামাতো বোনের প্রেমঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ঝন্টু মিয়া (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের ভাই আশানুর রহমান (৩৫)।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মাড়ুয়া দক্ষিণ সাগর গ্রামের ডিএমসিইউ মাদ্রাসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ঝন্টু মিয়া দক্ষিণ সাগর গ্রামের মশিয়ার রহমানের ছেলে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশিদ।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মাড়ুয়া দক্ষিণ সাগর গ্রামের ডিএমসিইউ মাদ্রাসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ঝন্টু মিয়া দক্ষিণ সাগর গ্রামের মশিয়ার রহমানের ছেলে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশিদ।
পুলিশ ও নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে ঝন্টু মিয়া ও আশানুরের মামাতো বোন তামিমা আক্তার এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যায়। তামিমাকে উদ্ধারের জন্য থানায় অভিযোগ দেয় পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তামিমাকে ফেরত দেওয়ার কথা।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ঝন্টু মিয়া ও আশানুর রহমান বুধবার সন্ধ্যায় থানার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে দক্ষিণ সাগর গ্রামের আবু উবাইদা ও অজ্ঞাতনামা ২-৩জনের সঙ্গে ঝন্টু মিয়া ও আশানুরের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ঝন্টু মিয়া ও আশানুরকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে জখম করে আবু উবাইদা ও অজ্ঞাতনামা ২-৩জন।
গুরুতর অবস্থায়ে তাদের চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাহমিদা ইয়াসমিন জ্যোতি ঝন্টু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আশানুরকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়।
স্থানীয় সুত্রে আরও জানা যায়, গত ১৯ মে ঝন্টুর মামাতো বোন তামিমা আক্তার জুঁই (১২) প্রেমের টানে একই গ্রামের উবাইদার ভাইয়ের সাথে পালিয়ে নিয়ে যায় ৷ ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে এ হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।
চৌগাছা থানার অফিসার ইনর্চাজ মামুনুর রশিদ জানান, ঘটনার পর এলাকায় পুলিশের অভিযান চালাচ্ছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
