বাংলার ভোর প্রতিবেদক
দুই পক্ষের সমঝোতার অভাবে থামছে না যশোরের ঝিকরগাছা-চৌগাছা ২ আসনে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা। সহিংসতার ঘটনায় ভুক্তভোগী বলছে, নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট করার অভিযোগে তার ওপর বার বার হামলা করা হচ্ছে। এদিকে স্থানীয় জামায়াত ও বিএনপি নেতারা পরস্পরকে দোষারোপ করছেন।
শনিবার বেলা সাড়ে ১২ টায় ঝিকরগাছা-চৌগাছা আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ ঝিকরগাছা উপজেলার শিমুলিয়া উইনিয়নের দোসতিনা গ্রামে উপজেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইসা মাহমুদের ওপর হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের খোঁজ খবর নিতে গেলে উপস্থিত দুই দলের নেতা কর্মীরা পরস্পরকে দোষারোপ করেন।
ভুক্তভোগী ইসা মাহমুদ অভিযোগ করেন, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি জুম্মার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার পথে একদল বিএনপি কর্মী তার ওপর হামলা চালায়।
এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। তার দাবি নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার ভোট করার কারণে তার ওপর হামলা করেছে স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা। তবে তিনি সংঘাত নয়, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহবান জানান।
এ সময় উপস্থিত স্থানীয় যুবদল নেতা রানা বিশ্বাস বলেন, শুক্রবারের ঘটনায় স্থানীয় ভাবে বসার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু জামায়াত নেতাদের পক্ষ থেকে বসতে রাজি হয়নি। তবে ছাত্র শিবির নেতার ওপর হামলার বিষয়ে তিনি জানান, নির্বাচনের দিন ইসা মাহমুদ সেনাবাহিনী ডেকে এনে বিএনপি নেতাকর্মীদের মার খাওয়ানোর ঘটনায় তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে স্থানীয় জামায়াতের আমীর নুরুজ্জামান বলেন, স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে বাজারে বসার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু তারা বসেননি।
এদিকে ভুক্তভোগীর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ শেষে সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, নির্বাচনের পর সবাইকে সহনশীলতা দেখাতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে সব দলের প্রতি সবার শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
এ বিষয়ে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজালাল আলম জানান, সহিংসতার ঘটনায় এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে অইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
