ঝিকরগাছা সংবাদদাতা
বিএনপির (খুলনা বিভাগীয়) ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ফ্যাসিস্টরা দেশের গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছিল দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে। তিনি বলেন, স্বৈরাচার বিরোধী সরকারকে হটিয়ে এই উপমহাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন দেশনেত্রী বেগম খাদেলা জিয়া। সেই সরকার দেশের নারী শিক্ষাকে প্রথম অবৈতনিক করেছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের হাত ধরে ১৯৯৫ সালে গঙ্গানন্দপুর ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, যে সময় যশোরের ছেলে মেয়েদের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স করতে যেতে হতো। সেসময় যশোর এম এম কলেজে একই সাথে ২২টি, সিটি কলেজে ৮টি, মহিলা কলেজে ৫টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করেছিলেন সে সময়ের মন্ত্রী প্রয়াত তরিকুল ইসলাম।
এছাড়া যশোরসহ ৮ উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত স্কুল, কলেজ প্রতিষ্ঠা, অবকাঠামোসহ শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটেছিল। তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর ডিগ্রি কলেজের রজতজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এর আগে শুক্রবার বেলা ১১টায় জাতীয় পতাকা ও বেলুন উড়িয়ে রজতজয়ন্তী ও পুনর্মিলনীর উদ্বোধন করেন তিনি।
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার দায়িত্ব পেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে শিক্ষা ব্যবস্থা আরও এগিয়ে নেয়া হবে।
কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আরিফুজ্জামান আরিফের সভাপতিত্বে রজতজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রফেসর আমিরুল আলম খান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, খুলনা কারিগারি শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-সচিব ও আঞ্চলিক পরিচালক মিজানুর রহমান, যশোর উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চ মাধ্যমিক) মোহাম্মদ নেয়ামত এলাহী। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, কলেজের অধ্যক্ষ জয়ন্ত কুমার বিশ্বাস।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাবেক সহ-সভাপতি এ্যাড. মোহাম্মদ ইসহক, যশোর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খান, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, জেলা বিএনপি নেতা কাজী আজম, সিরাজুল ইসলাম, হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোস্তফা আমীর ফয়সাল, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পি, ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক মোর্তজা এলাহী টিপু, সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাসান সামাদ নিপুন, যুগ্ম-সম্পাদক সরদার শহিদুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক আশফাকুজ্জামান খান রনি, ঝিকরগাছা মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইলিয়াস উদ্দিন, বাঁকড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শামসুর রহমান, সম্মিলনী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আহাসানুর রহমান, গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আয়ুব হোসেন পন্ডিত, বর্তমান সভাপতি শামসুজ্জামান খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজিদ, শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান আশা, ঝিকরগাছা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজিদ, মাগুরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান আব্দার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জুল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গনি, গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়ন জামায়াতে আমীর শাহাজাহান আলী, ঝিকরগাছা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোনাজ্জেল হোসেন লিটন, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আশরাফুল আলম রানা, সদস্য সচিব শাহিন আলম বিপ্লব প্রমুখ।