Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • যশোরে ওয়ান শুটারগান ও ককটেলসহ যুবক গ্রেফতার
  • শার্শায় পেঁয়াজ বিজ উৎপাদনে লাভের মুখ দেখছেন কৃষক ইউসুফ
  • সুন্দরবন ঘেষা গড়ইখালীতে টেকসই রাস্তা গ্রামীণ জীবন বদলের আশা
  • যশোর পৌরসভা : নিবন্ধিত রিকশা তিন হাজার, চলে ২৩ হাজার
  • ঈদ খরচ : হেস্কা মিশনে ব্যস্ত যশোরের কয়েক ডজন সাংবাদিক
  • শহিদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত উলাশীর খাল পড়ে আছে অযত্নে
  • ভবদহে আবারও জলাবদ্ধতার শঙ্কা  ধীরগতির খনন কাজে উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী
  • জীবননগর রায়পুরে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
শুক্রবার, মার্চ ১৩
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

ভবদহে আবারও জলাবদ্ধতার শঙ্কা  ধীরগতির খনন কাজে উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী

banglarbhoreBy banglarbhoreমার্চ ১২, ২০২৬No Comments
Facebook Twitter WhatsApp
Share
Facebook Twitter LinkedIn

হিমেল খান
আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে আবারও জলাবদ্ধতার শঙ্কায় রয়েছেন যশোরের ভবদহ অঞ্চলের মানুষ। জলাবদ্ধতা নিরসনে গত বছর সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১ কিলোমিটার নদী খননের কাজ উদ্বোধন করা হলেও কাজের ধীরগতির কারণে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। ভবদহবাসীর আশঙ্কা, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হলে, আগামী বর্ষা মৌসুমেও পুরো এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় যশোর শহরের নীলরতন ধর রোডে অবস্থিত ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশঙ্কার কথা জানান সংগঠনের নেতারা।  সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ভবদহ পানি নিস্কাশন সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ, ভবদহ পানি নিস্কাশন সংগ্রাম কমিটির উপদেষ্টা তসলিম উর রহমান, সদস্য জিল্লুর রহমান ভিটু, সদস্য সাধন বিশ্বাস, রাজু আহমেদ প্রমুখ।

যশোর, খুলনা ও সাতক্ষীরার অংশ নিয়ে গঠিত ভবদহ অঞ্চল দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে জলাবদ্ধতার ভুগছে এ অঞ্চলের মানুষ।  প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে পানির নিচে নিমজ্জিত থাকে এ অঞ্চলের মানুষ। বাড়ির উঠানে হাঁটুসমান পানি জমে থাকে, চারপাশে শ্যাওলায় ভরা পরিবেশে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। ফলে বছরের অধিকাংশ সময়ই জলাবদ্ধতার মধ্যে বসবাস করতে বাধ্য হন তারা। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে নদী-খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বাধাগ্রস্থ হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এই সমস্যা সমাধানে গত বছর সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৮১ কিলোমিটার নদী পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় অভয়নগরের ভবদহ ২১ ভেন্ট স্লুইসগেট  থেকে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাশিমপুর পর্যন্ত হরি নদীর ১৫ কিলোমিটার, কাশিমপুর থেকে কুলবাড়িয়া পর্যন্ত তেলিগাতী নদীর ৫ কিলোমিটার, মণিরামপুরের বাকোশপোল থেকে কেশবপুরের বরেঙ্গা পর্যন্ত হরিহর নদীর ৩৫ কিলোমিটার, বরেঙ্গা থেকে কাশিমপুর পর্যন্ত আপার ভদ্রা নদীর ১৮ দশমিক ৫০ কিলোমিটার, অভয়নগরের গোঘাটা থেকে ভবদহ ২১ ভেন্ট স্লুইসগেট পর্যন্ত টেকা নদীর ৭ কিলোমিটার এবং মণিরামপুরের নেহালপুর বাজার এলাকায় ১ কিলোমিটার শ্রী নদী পুনঃখননের উদ্যোগ নেয়া হয়। তবে প্রকল্পের কাজের ধীরগতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

ভবদহ এলাকার বাসিন্দা ও ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব চৈতন্য পাল বলেন, খনন কাজ শুরু হলেও অনেক স্থানে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হবে কি না, তা নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয়রা।

সংগ্রাম কমিটির সদস্য অনিল বিশ্বাস বলেন, প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তথ্যসম্বলিত কোনো সাইনবোর্ড অনেক জায়গায় দেখা যাচ্ছে না। ফলে নদীর গভীরতা ও প্রস্থ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের স্পষ্ট ধারণা নেই। সামনে বর্ষা মৌসুম থাকায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে হলে আরও বেশি সংখ্যক স্কেভেটর নিয়োগ করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, মুক্তেশ্বরী, টেকা, শ্রী ও হরি নদীর মূল স্রোতধারায় জমে থাকা পলি দ্রুত অপসারণ না করলে কাক্সিক্ষত সুফল পাওয়া কঠিন হবে।

একই এলাকার বাসিন্দা শিব পদ বিশ্বাস বলেন, দ্রুত নদীগুলোতে টিআরএম (টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট) প্রকল্প চালু করা জরুরি। তা না হলে দুই-এক বছরের মধ্যেই নদীগুলো আবার পলিতে ভরাট হয়ে যাবে এবং বিপুল অর্থ ব্যয়ে করা খননকাজের সুফল নষ্ট হয়ে যাবে।

ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, নদী খননের কাজে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে টিআরএম প্রকল্প ছাড়া শুধু নদী খনন করে স্থায়ী সমাধান পাওয়া যাবে না। তিনি অভিযোগ করেন, টিআরএম প্রকল্প বাদ দিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড নতুন করে পাঁচটি সেচ পাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে স্থায়ী সমাধান তো হবেই না, বরং আগামী মৌসুমেও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি থেকে যাবে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী জানিয়েছেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখেই পর্যায়ক্রমে নদী খননের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আপৎকালীন সমাধান হিসেবে পাঁচটি সেচ পাম্প স্থাপনের প্রকল্পও  হাতে নেয়া হয়েছে, যা প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের এ কর্মকর্তার  দাবি, এবারের বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কোন আশঙ্কা নেই।

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

যশোরে ওয়ান শুটারগান ও ককটেলসহ যুবক গ্রেফতার

মার্চ ১৩, ২০২৬

শার্শায় পেঁয়াজ বিজ উৎপাদনে লাভের মুখ দেখছেন কৃষক ইউসুফ

মার্চ ১৩, ২০২৬

সুন্দরবন ঘেষা গড়ইখালীতে টেকসই রাস্তা গ্রামীণ জীবন বদলের আশা

মার্চ ১৩, ২০২৬

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.