Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • চৌগাছা থানায় গ্রাম পুলিশদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
  • সখিপুর হাইস্কুলের রজত জয়ন্তী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা
  • যশোর-৩ আসনে চশমা প্রতিকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন
  • বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যায় জড়িত আরও একজন আটক
  • খালেদা জিয়া আমৃত্যু জাতির অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেছেন : অমিত
  • জাতীয় শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ছাত্র ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন চৌগাছা
  • কোটচাঁদপুরে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘনে জরিমানা
  • চৌগাছায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
বুধবার, জানুয়ারি ১৪
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০১তম জন্মবার্ষিকী কাল

banglarbhoreBy banglarbhoreজানুয়ারি ২৪, ২০২৫Updated:জানুয়ারি ২৪, ২০২৫No Comments
Facebook Twitter WhatsApp
Share
Facebook Twitter LinkedIn

বাংলার ভোর প্রতিবেদক
বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০১তম জন্মবার্ষিকী কাল। ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৩ সাল থেকে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মভিটা যশোরের সাগরদাঁড়িতে তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপি মধুমেলার আয়োজন হয়ে আসছে। শুক্রবার থেকে মেলা শুরু হয়েছে। মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস মাইকেল মধুসূদন দত্তের ২০১তম জন্ম উৎসব উপলক্ষ্যে বাণী দিয়েছেন। বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের এক ক্ষণজন্মা প্রবাদপুরুষ। কালোত্তীর্ণ এ কবি মহাকাব্য, চতুর্দশপদী কবিতা, নাটক ও প্রহসনসহ বাংলা সাহিত্যের বিবিধ শাখায় তাঁর বহুমাত্রিকতার স্বাক্ষর রেখেছেন এবং সাহিত্যের গঠনশৈলীতে এনেছেন আধুনিকতার ছোঁয়া।

তিনি বলেন, আধুনিকতার যে ধারা মহাকবি বাংলা সাহিত্যে প্রবর্তন করেন, তা পরবর্তী কবি ও সাহিত্যিকদের পথনির্দেশনা হিসেবে কাজ করেছে অমিয় তেজ ও ঐশ্বর্যে। দীর্ঘ প্রবাসজীবন সত্ত্বেও মাতৃভূমি ও মাতৃভাষার প্রতি গভীর অনুরাগ তাঁর সৃষ্টিকর্মে সহস্রধারায় উৎসারিত হয়েছে। আমি সকলকে আহ্বান জানাই আমরা যেন মহাকবির স্বদেশ প্রেমের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশগড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে পারি।

মাইকেল মধুসূদন দত্তের পিতার নাম রাজনারায়ণ দত্ত, মা জাহ্নবী দেবী। তিনি শৈশবে সাগরদাঁড়ির পাশে শেখপুরা গ্রামের মৌলভী খন্দকার মখমল সাহেবের কাছে বাংলা ও ফার্সি শিক্ষা লাভ করেন।

১৮৩৩ সালে সাগরদাঁড়ি ছেড়ে কলকাতার খিদিরপুর যান কবি এবং সেখানে লালবাজার গ্রামার স্কুলে ইংরেজি, ল্যাটিন ও হিব্রু ভাষা শিক্ষা লাভ করেন।
কবি ১৮৩৭ সালে হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। ১৮৪২ সালে ইংরেজিতে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ‘স্ত্রী শিক্ষা’ বিষয়ে প্রবন্ধ লিখে কলেজ থেকে স্বর্ণপদক লাভ করেন।

১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেন কবি। একইসাথে পিতৃগৃহ থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসন নেন। হিন্দু কলেজে পড়তে না পেরে বিশপস কলেজে ভর্তি হন ও গ্রিক ও সংস্কৃত ভাষায় জ্ঞানার্জন করেন তিনি। তিনি ১৮৪৮ সালে সাগরদাঁড়িতে আসেন, তারপর ভাগ্যান্বেষণে মাদ্রাজ চলে যান। পথে বসন্ত রোগে তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং সুস্থ হয়ে সেখানে একটি আবাসিক স্কুলে ইংরেজি বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন। বিভিন্ন পত্রিকায় ছদ্মনামে কবিতা লিখতে থাকেন তিনি। কয়েকটি পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন ও সম্পাদকীয় বিভাগেও কাজ করেন। একই বছর বিয়ে করেন রেবেকা ম্যাকটাভিসকে। ১৮৪৯ সালের এপ্রিলে ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ ‘দ্য কাপটিভ লেডি’ প্রকাশ হয়।

১৮৫২ সালে মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের হাইস্কুল বিভাগে তিনি শিক্ষকতার চাকরি নেন। তিনি ১৮৫৪ সালে দৈনিক স্পেকটেটর পত্রিকায় সহ-সম্পাদক পদে নিযুক্ত হন। ওই বছরই বের হয় পুস্তিকা ‘দ্য এ্যাংলো স্যাক্সন এ্যান্ড দ্য হিন্দুু’। ১৮৫৭ সালে তিনি আদালতে দোভাষী হিসেবে কাজ শুরু করেন।
১৮৫৮ সালে ‘শর্মিষ্ঠা নাটক’ লিখে বাংলা ভাষায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ও নাট্যান্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। ১৮৬০ সালে ‘পদ্মাবতী নাটক’ প্রকাশ হয়। মে মাসে বাংলা ভাষায় প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা ‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’ প্রকাশিত হয়। এবছরই তিনি মহাকাব্য রচনায় মনোনিবেশ করেন।

১৮৬১ সালে জানুয়ারিতে ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ প্রথম খন্ড প্রকাশিত হয়। ফেব্রুয়ারিতে প্রখ্যাত সাহিত্যিক কালিপ্রসন্ন সিংহের বাসভবনে অমিত্রাক্ষর ছন্দে মহাকাব্য রচনার জন্য বিদ্যোৎসাহিনী সভার পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা এবং মহাকবি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি ইংল্যান্ডে গিয়ে ব্যারিস্টারিতে ভর্তি হন।

১৮৬৩ সালে কবি অর্থকষ্টে পড়েন। এ অবস্থায় পরিবারসহ প্যারিসের ভার্সাই নগরীতে চলে যান। ১৮৬৪ সালে ২ জুন অর্থসাহায্য চেয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে চিঠি লেখেন তিনি। আগস্টে বিদ্যাসাগরের পাঠানো টাকা পেয়ে সাময়িকভাবে অভাব মোচন হলে তিনি সনেট রচনায় মনোনিবেশ করেন ও ইংল্যান্ডে ফিরে গিয়ে আবার ব্যারিস্টারি পড়া শুরু করেন।

১৮৬৬ সালের আগস্টে ‘চতুর্দ্দশপদী কবিতাবলী’ পুস্তক আকারে কলকাতা থেকে বের হয়। নভেম্বরে ব্যারিস্টারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৮৬৭ সালে পুত্র-কন্যাকে ফ্রান্সে রেখে কলকাতা চলে আসেন। সেখানে হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করার জন্য আবেদন করেন। ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন বেলা ২টায় মারা যান মহাকবি মধুসূদন দত্ত।

জন্মবার্ষিকী মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

চৌগাছা থানায় গ্রাম পুলিশদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

সখিপুর হাইস্কুলের রজত জয়ন্তী উদযাপনে প্রস্তুতি সভা

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

যশোর-৩ আসনে চশমা প্রতিকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : ডিডি এনএসআই (অব.) মুফাজ্জেল হোসেন

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.