মহেশপুর সংবাদদাতা
মহেশপুরে জন্মদাতা পিতা কোন খোঁজ খবর না নেয়া শিশুদুটির সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন উপজেলা ইউএনও সাজ্জাদ হোসেন। শিশু দুটির খাদ্য ও স্বাস্থ্য-সুরাক্ষা নিশ্চিতে নতুন জামা-কাপড়, ফ্যান ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার বিকেলে কাজিরবেড় ইউনিয়নের পুরাতন কোলা গ্রামে স্বশরীরে গিয়ে শিশুদুটির খোঁজ খবর নেয়ার পাশা-পাশি এসব জিনিসপত্র দেন।
জানা গেছে, যমজ কন্যা সন্তান জন্ম দেয়ার অপরাধে রীনা খাতুন পিতার বাড়িতে থাকাকালিন তালাক নোটিশ পাঠিয়ে দেন স্বামী রাকিবুল ইসলাম।
এমনকি শিশুদুটি জন্মের ছয় মাস আগে থেকে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। যে কারণে ছয় মাস বয়সি দুটি কন্যা সন্তানের খাদ্য ও চিকিৎসায় ব্যয় মিটাতে বিধবা মায়ের সংসারে হিমশিম খাচ্ছেন রীনা খাতুন। বিষয়টি জানতে পেরে তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন ইউএনও সাজ্জাদ হোসেন।
শিশুদুটির নানি বলেন, যমজ কন্যা সন্তান হওয়ার আমার মেয়েকে ঘরে নিচ্ছেন না জামাই রাকিবুল ইসলাম। দুটি সন্তানের পিছনে মাসে ১২-১৫ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে যা আমার পক্ষে যোগান দেয়া সম্ভব না।
এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এর আগেও আমি রীনা খাতুনকে আর্থিক সাহায্য করেছি।
শিশুদুটির স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করে আজ নতুন জামা-কাপড়, একটি ফ্যান ও কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়ে এসেছি। এছাড়াও রীনা খাতুনের সাংসারিক সমস্যা যাতে সমাধান হয় সে ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
