কপিলমুনি সংবাদদাতা :
চরম অভাব-অনটনকে জয় করে চিকিৎসকের স্বপ্ন দেখছে লামিয়া আখতার কেয়া। কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের এই মেধাবী শিক্ষার্থী ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উর্ত্তীণ হয়েছে।
কেয়ার বাবা কামরুল ইসলাম মোড়ল পত্রিকার পরিবেশক এবং মা হাসিনা বেগম গৃহিণী। ভিটেমাটি ছাড়া জমিজমা না থাকায় পত্রিকা বিক্রি করে ও গৃহপালিত হাঁস-মুরগির সামান্য আয়েই টেনেটুনে চলে তাদের সংসার।
এত দারিদ্র্যের মধ্যেও থেমে নেই কেয়ার পড়াশোনা। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কেয়া বলে, ছোটবেলা থেকেই আমার ইচ্ছা বড় হয়ে চিকিৎসক হওয়া।
লেখাপড়া শেষ করে নিজ গ্রামসহ দেশের দরিদ্র ও অসহায় রোগীকে সেবা দিতে চাই। আমার এই স্বপ্ন পূরণ করে সবার মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।
এদিকে, মেয়ের স্বপ্ন পূরণে বাবা কামরুল ইসলাম সাধ্যমতো সব চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানালেও দারিদ্রতার কাছে বিশ্বাস আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি কতখানি জয়ী হবে তা নিয়ে রীতিমত মহাদুঃশ্চিন্তায় দিন কাটছে তার। কোথায় পাবে সে এত অর্থ? এ অবস্থায় সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করছেন ছাত্রী লামিয়া আখতার কেয়া।
সহযোগিতার নং ০১৯১৮৪০৩১১২।
