Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • খাল খনন : পঞ্চাশ বছর পর পাশপাশি বাবা ও ছেলের নামফলক
  • যশোর সার্কিট হাউজ থেকে পায়ে হেটে জনসভাস্থলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
  • যশোর রোডে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলচাষিদের অভ্যর্থনা
  • অশীতিপর শাহাদাতের কাছে নিজের পিতার নাম জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
  • ইতিহাসের অংশ যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী
  • দেশ গড়ার কাজে বাধা দেবেন না
  • মাগুরায় মিলের ফিতায় জড়িয়ে শ্রমিকের মৃত্যু
  • কপিলমুনিতে বড় ভাইকে ছোট ভাইয়ের ধাক্কা, অতঃপর
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোরে
banglarbhoreBy banglarbhoreজানুয়ারি ১, ২০২৬No Comments
Facebook Twitter WhatsApp
শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন
Share
Facebook Twitter LinkedIn

বাংলার ভোর প্রতিবেদক
শীতের দাপটে কাঁপছে যশোর। গত এক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শৈত্যপ্রবাহের সাথে কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া শীতের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে গ্রামে শহরে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। বৃহস্পতিবার যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ দিন যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবারও যশোরে একই তাপমাত্রা বিরাজ করেছে। এই মৌসুমে এর আগে আরও দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছিল। এখন তাপমাত্রা আরও কমে গিয়ে মাঝারী শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবারও যশোরে একই তাপমাত্রা বিরাজ করেছে। এর আগে গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এটি ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো যশোরে। এরপর তিনদিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য উর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ৪ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়ামের নিচে নেমে গেলে তাকের অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

যশোরে শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি ধরণের কুয়াশা পড়ছে। শেষ রাত থেকে শুরু করে ভোর দিক পর্যন্ত ঘন কুয়াশা সৃষ্টি হচ্ছে। বেলা বাড়লে মাত্রা অনেকটা কমে আসলেও হালকা ধরণের কুয়াশা চোখে পড়ছে। এছাড়া মেঘের আড়াল থেকে মাঝে মাঝে সূর্য উঁকি দিলেও তাপ ছড়াচ্ছে না। ঠান্ডার দাপটের কাছে যেন ম্রিয়মান ও নিস্তেজ হয়ে পড়েছে সূর্যটাও।

তীব্র ধরনের এই ঠান্ডার কারণে কৃষকরা বোরের বিজতলা ক্ষতিগ্রস্তে আশংকা করছেন। প্রচন্ড এই ঠান্ডা আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকলে বীজতলা ‘কোল্ড স্ট্রোকে’ বিনষ্টের দুশ্চিন্তা করছেন। আলু ও সরিষার যারা আবাদ করেছেন তারাও ঠান্ডা ও কুয়াশায় চারা নষ্টের আশংকা করছেন।

এদিকে গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণীকূলেরও জবুথবু অবস্থা। তীব্র রকমের শীতে মানুষের পাশাপাশি পশুপাখিরাও নাকাল হয়ে পড়ছে। শীতের দাপটে সবচেয়ে কষ্ট পাচ্ছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ। জীবন জীবিকার তাগিদে শীত উপেক্ষা করে তাদের রুটি রুজির সন্ধানে ঘরের বাইরে বের হতে হচ্ছে। হাড় কাঁপানো ঠান্ডার মধ্যে ভোরের আলো ফুটতেই কাজের জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়ছেন।

এদিকে শহরের চাইতে গ্রামের দিকে শীতের তীব্রতা বেশি। গ্রাম এলাকায় হিমেল হাওয়া ও কুয়াশাও পরিমাণে বেশি পড়ছে। সঙ্গত কারণে গ্রামের দিকে শীতও অনুভূত হচ্ছে বেশি। তাই গ্রামের শীত যেন সূচের মতন করে হাড়ে বিঁধছে বলে জানালেন মাহিদিয়া গ্রামের বাসিন্দা শিমুল হোসেন। তিনি বলেন, শীত জেঁকে বসায় মানুষজন ঘর থেকে কম বের হচ্ছে। বাজারে লোকজনের আনাগোনা কমে গেছে। দরকার না হলে সেভাবে কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। বিকেলের দিকে বাজারে মানুষজনের উপস্থিতি একটু বাড়লেও সন্ধ্যার পর যেনো জনশূন্য হয়ে যাচ্ছে।

চাঁচড়া এলাকার রিকশাচালক রহিম আলী বলেন, শীতে সকালে ও রাতে একেবারেই যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। বেলা একটু বাড়লে লোকজন কাজে বাইরে আসছে। কিন্তু যাত্রী কমে যাওয়ায় আয় রোজগারও কমেছে।

এছাড়া প্রচণ্ড শীতের কারণে শুধু গরম কাপড়ে শীত মোকাবেলা করা যাচ্ছে না। তাই কাঠের টুকরো, কাগজ কিংবা খড়কুটো জ্বালিয়ে গ্রামে শহরে সবখানে আগুনের ওম নেয়ার চেষ্টার দৃশ্য নজরে পড়ছে।

Follow on Facebook
Share. Facebook Twitter WhatsApp Copy Link

Related Posts

খাল খনন : পঞ্চাশ বছর পর পাশপাশি বাবা ও ছেলের নামফলক

এপ্রিল ২৮, ২০২৬

যশোর সার্কিট হাউজ থেকে পায়ে হেটে জনসভাস্থলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

এপ্রিল ২৭, ২০২৬

যশোর রোডে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলচাষিদের অভ্যর্থনা

এপ্রিল ২৭, ২০২৬

সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আনিসুর রহমান রিপন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.