বাংলার ভোর প্রতিবেদক
স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে তাদের প্ররোচনায় এক গৃহবধূর আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনা গুরুতর আহত গৃহবধূ স্বপ্না খাতুনকে (২০) যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত গৃহবধূ শার্শার ডিহি ইউনিয়নের গোকর্ণ গ্রাম র্প্বূপাড়ার ইসরাফিলের স্ত্রী।
স্বপ্না খাতুনের পিতা শার্শা থানার ডিহি ইউনিয়নের সাড়াতলার বাসিন্দা খোরশেদ আলম জানান, দীর্ঘদিন যাবত তার মেয়ের স্বামী, শ্বাশুড়ী সোনাভান, ননদ এবং অন্যান্য সদস্যরা যৌতুকের দাবি করে আসছে। তিনি সাধ্যমত তাদের সেই চাহিদা পূরণ করেছেন।
এখন পর্যন্ত তিনি মোটরসাইকেল, টিভি, ফ্রিজসহ সাংসারিক আসবাব এবং গত পাঁচ বছরে জামাইকে নগদ ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা দিয়েছেন। এর বাইরেও ৬ বিঘা মাঠের জমি বন্ধক নিয়ে দিয়েছেন। এ সবই তিনি মেয়ের ভবিষ্যৎ এবং সুখের চিন্তায় করেছেন। তবুও তারা যৌতুকের দাবিতে মেয়ের উপরে অবর্ণনীয় অত্যাচার চালিয়ে গেছে। শেষে অত্যাচার সইতে না পেরে আমার মেয়ে আত্নহননের পথ বেছে নেয়।
খোরশেদ আলম আরো জানান, শুক্রবার সকালে তিনি মেয়ের একটি ফোন পান। কিন্তু যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়ে তিনি মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে চলে যান। সেখানেই তিনি গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনেন।
