Close Menu
banglarbhore.com
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
Facebook X (Twitter) Instagram
শিরোনাম:
  • জমির হারি না দেওয়ায় মামলা দিয়েছি বললেন- বাদী রুহুল আমিন
  • শিক্ষকদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষণ
  • লাইসেন্স নবায়ন বাদেই চলছে যশোর পপুলার মেডিকেল সার্ভিসেস অ্যান্ড হসপিটাল
  • প্রেসক্লাব যশোরের নির্বাচন ১৫ পদে ২৭ মনোনয়ন বিক্রি
  • পৈত্রিক ভিটা নিয়ে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি
  • স্থানীয় চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও সহজ অর্থায়নের দাবি যশোরে
  • একটি চক্র বিভাজন সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে : নার্গিস বেগম
  • কৃষ্ণনগরে অসুস্থ পশুর মাংস বিক্রির প্রতিবাদে মানববন্ধন
Facebook X (Twitter) Instagram
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
banglarbhore.combanglarbhore.com
আকিজ ন্যাচারাল সরিষার তেল
Sunday, September 6
  • হোম
  • দক্ষিণ-পশ্চিম
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • জীবনযাপন
  • রান্না ঘর
  • স্বাস্থ্য
banglarbhore.com
দক্ষিণ-পশ্চিম

যশোরে রমজানেও অবাধে বিষাক্ত মদ ও স্পিরিট বিক্রির অভিযোগ

banglarbhoreBy banglarbhoreApril 6, 2024No Comments
Facebook Twitter Pinterest LinkedIn WhatsApp Reddit Tumblr Email
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

বাংলার ভোর প্রতিবেদক

দীর্ঘ ৪ বছর বন্ধ থাকার পর আবারো যশোর শহরের বড় বাজারে অবৈধ ভেজাল মদ ও ¯িপরিট বিক্রি হচ্ছে। অবৈধভাবে ভেজাল মদ ও স্পিরিট বিক্রির ফলে প্রাণহানির আশংকা দেখা দিয়েছে। রমজান মাসে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কতিপয় অর্থলোভী কর্মকর্তা ও সদস্যদের সাথে যোগসাজসে শহরের বড় বাজারের বাবু বাজার পতিতালয় ও তার আশপাশের এলাকা এবং মাড়ুয়ারী মন্দির সংলগ্ন পতিতালয়ের দক্ষিণ পাশে ও সামনে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অবৈধ ভেজাল মদ ও স্পিরিট। বড় বাজারের দু’টি স্থানে ১০ জনের একটি সিন্ডিকেট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা ও সদর পুলিশ ফাঁড়ির কতিপয় অর্থলোভী কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে অবৈধ ভাবে মদ ও স্পিরিট বেচাকেনা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাবু বাজার পতিতালয়ের আশপাশের ব্যবসায়ীরা অভিযোগে জানান, বাবু বাজার পতিতালয় ও তার সামনে তাড়িখানার গলিসহ আশপাশ এলাকায় ইছালী ইউনিয়নের সাবেক কাউন্সিলর জাকিরের নেতৃত্বে শহরের বেজপাড়ার নিবাসী মন্টু সাহা, বিরামপুরের রাসেল, আনারুল, চায়ের দোকানের আড়ালে বিরামপুরের আব্দুর রশিদ, ভোলা জেলার বাসিন্দা আবাসিক হোটেল স্বপ্নপুরি হোটেলের বর্ডার ছোট মহাসিন ও মাড়ুয়াড়ী মন্দির সংলগ্ন পতিতালয়ের পাশে ও সামনে বাবু, সাজু, রতন, কৃষ্ণ, কালো মিন্টুসহ একটি অবৈধ ভেজাল মদ বিক্রি সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছে।

এরা খুব ভোরে শহর থেকে মদ সংগ্রহ করে লাইসেন্স ছাড়াই অবাধে বিক্রি করছে। প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মদ বিক্রি এই সিন্ডিকেট মদের মধ্যে বিভিন্ন বিষাক্ত স্পিরিটসহ নেশায় আসক্ত করার উপাদান মিশিয়ে অধিক লাভের আশায় সেবনকারীদের কাছে অবৈধ ভাবে বিক্রি করছে। অথচ কোতয়ালি থানার দূরত্ব মাড়োয়ারি থেকে ৫০ গজ। বছর চারেক আগে ২০২০ সালের ২৫ এপ্রিল যশোরে ভেজাল মদ ও স্প্রিট পানে ১৭ জন মারা যায়্ এ ঘটনায় কোতয়ালি থানায় ৫ টি মামলা হয়। এরপর বেশ কয়েক বছর মাড়োয়ারি পতিতালয়ের সামনে মদ বিক্রি বন্ধ ছিলো। সম্প্রতি রোজার ভিতর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তা ও পুলিশের কতিপয় সদস্যদের সাথে যোগসাজসে আবারো ভেজাল মদ ও স্পিরিট বিক্রি হচ্ছে।

অভিযোগে আরো জানানো হয়েছে, শহরের হাটখোলা রোডস্থ মাড়োয়ারী মন্দির সংলগ্ন পতিতালয়ের সামনে ও দক্ষিন পাশে এবং বাবু বাজার পতিতালয় এলাকায় মদ বেচাকেনার সাথে জড়িত কমপক্ষে ৩০ জনের অধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মাদক আইনে বেশ কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা চলমান থাকলেও তারা অবৈধ ভেজাল মদ বিক্রি থেকে একটু পিছুপা হয়নি। তবে এক সময় মাড়ুয়ারী মন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে মদ বিক্রির অভিযোগে আবু হাসান নামে এক ব্যক্তিসহ বেশ কয়েকজনকে পুলিশ ওই সময় গ্রেফতার করে। আবু হাসান দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকার পর আটক হয়ে স্বেচ্ছায় আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে।

ওই সব মাদক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সেই সময় আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। যে মামলাগুলি বিচারাধীন। অভিযোগে আরো জানান যায়, ওই সময় মামলার আসামিদের মধ্যে বর্তমানে কয়েকজন আবারো বিষাক্ত অবৈধ মদ বেচাকেনা শুরু করেছে। মদ বেচাকেনার সাথে সম্পৃক্ত নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জানান, যশোর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয় ক সার্কেলের উপ-পরিদর্শক এস এম শাহীন পারভেজসহ দু’জন ও সদর পুলিশ ফাঁড়ির এক এএসআই এবং এক এটিএসআইসহ বেশ কয়েক জনের সাথে সাপ্তাহিক ও মাসিক চুক্তি থাকায় অবৈধ মদ বিক্রেতারা গ্রেফতার হয় না।

সূত্রগুলোর দাবি, সদর ফাঁড়ীর দুই কর্মকর্তা মদের দোকানের সামনে দিয়ে টহল দিলেও না দেখার ভান করে। এ বিষয়ে কোতয়ালি থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাকের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি খোঁজ নিচ্ছেন বলে জানান।

এ ব্যাপারে যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর খুলনা অতিরিক্ত পরিচালকের দৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
banglarbhore

    Related Posts

    জমির হারি না দেওয়ায় মামলা দিয়েছি বললেন- বাদী রুহুল আমিন

    September 6, 2026

    শিক্ষকদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার বিষয়ে প্রশিক্ষণ

    September 6, 2026

    লাইসেন্স নবায়ন বাদেই চলছে যশোর পপুলার মেডিকেল সার্ভিসেস অ্যান্ড হসপিটাল

    September 5, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    You must be logged in to post a comment.

    সম্পাদক ও প্রকাশক : সৈয়দ আবুল কালাম শামছুদ্দীন

    উপদেষ্টা সম্পাদক : হারুন অর রশীদ

    ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মেজর (অব.) এবিএম আমিনুল ইসলাম

    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : ডিডি এনএসআই (অব.) মুফাজ্জেল হোসেন

    নির্বাহী সম্পাদক : সৈয়দা নাজমুন নাহার শশী

    প্রকাশক কর্তৃক মান্নান প্রিন্টিং প্রেস এর তত্ত্বাবধানে সম্পাদকীয় কার্যালয় ডি-৩০ নতুন উপশহর এবং বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৯ মুজিব সড়ক, যশোর থেকে প্রকাশিত।

    মোবাইল: ০১৯০১-৪৬০৫১০-১৯ | ফোন: ০২৪৭৮৮৫১৩৮৬

    ই-মেইল: banglarbhorenews@gmail.com

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.